Breaking News
 
India Hormuz:পণ্য চলাচলে বাধা চলবে না’, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হতেই হরমুজ নিয়ে সক্রিয় ভারত সরকার West Bengal Assembly Election: প্রার্থী তালিকা নিয়ে ছাইচাপা আগুন! বিক্ষোভ নেভাতে তড়িঘড়ি ৭ আসনে রদবদল কংগ্রেসের Iran: জলপথের একাধিপত্যে ইরান! হরমুজে জাহাজ চলাচলে কোটি কোটি টাকার ‘ফি’ ভারতে পণ্য সংকটের ইঙ্গিত? Abhaya: বিজেপি প্রার্থীর পথ আটকাল ‘তৃণমূল’! পানিহাটিতে অভয়ার মাকে ঘিরে বিক্ষোভ, অশান্তি চরমে West Bengal Assembly Election:মনোনয়ন জমা দিয়ে ‘তদন্ত’ ও ‘বিচার’ দাবি মমতার! সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিতে নতুন চাপে নির্বাচন কমিশন? West Bengal Assembly Election:ভবানীপুরের ঘরের মেয়ে না কি বাংলার নেত্রী? মনোনয়ন পেশের পর ‘মিনি ইন্ডিয়া’ বার্তায় চমক মমতার

 

International

2 hours ago

Iran: জলপথের একাধিপত্যে ইরান! হরমুজে জাহাজ চলাচলে কোটি কোটি টাকার ‘ফি’ ভারতে পণ্য সংকটের ইঙ্গিত?

As soon as the war ends, Iran is imposing taxes in the Strait of Hormuz.
As soon as the war ends, Iran is imposing taxes in the Strait of Hormuz.

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: হরমুজে কর বসানোর ছক ইরান-ওমানের: বিশ্ব তেলের বাজারে নতুন সংকট? এক মাস বন্ধ থাকার পর হরমুজ প্রণালী খুলে দিলেও, এবার সেই জলপথ ব্যবহারের জন্য ‘শুল্ক’ আদায়ের পরিকল্পনা করছে তেহরান ও মাস্কাট। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং এই কৌশলগত জলপথে নিজেদের আধিপত্য কায়েম রাখতেই এই নতুন চাল। যদি সত্যিই প্রতিটি তেলের ট্যাঙ্কারকে এই কর দিতে হয়, তবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও আকাশছোঁয়া হতে পারে। আমেরিকা ও পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের এই ‘একচেটিয়া’ অধিকারকে কীভাবে মোকাবিলা করে, সেটাই এখন দেখার।

ইরান সরকারের উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা ‘এপি’ জানিয়েছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে তেহরানে বিরাট ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে আমেরিকা-ইজরায়েল। তাই হরমুজে কর আরোপ করে যে আয় হবে, তা যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে ব্যবহার করার কথা ভাবছে ইরান।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাহাজের ধরন, পণ্যসম্ভার এবং অন্যান্য পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ‘ট্রানজিট ফি’ বা কর নির্ধারিত হবে। ইরানের উপ বিদেশমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি গত  সপ্তাহে বলেছিলেন, হরমুজে কর বসানো নিয়ে তেহরান ওমানের সঙ্গে মিলে একটি খসড়া প্রোটোকল তৈরি করছে। তিনি স্পষ্ট করেন, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হরমুজে জাহাজ চলাচল আটকানো নয় বরং সহজ করা। কিন্তু ইরানের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেনি সংযুক্ত আরব আমিশাহী, কাতার-সহ উপসাগরীয় দেশগুলি। হরমুজে তারা অবাধ জাহাজ চলাচলের দাবি জানিয়েছে।ইরান যদি সত্যিই এধরনের পদক্ষেপ করে তাহলে ভারতের উপর কী প্রভাব পড়বে? বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের আগুনে হরমুজে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গিয়েছে, যার ফলে জ্বালানি সরবরাহ বড় ধাক্কা খেয়েছে। তার উপর উচ্চ বিমা খরচের ফলে তেল পরিবহন আগের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। এর উপর ইরান যদি হরমুজে ‘ট্রানজিট ফি’ আরোপ করে, তাহলে ভারতেও স্বাভাবিকভাবে বাড়বে তেলের দাম। ফলে সমস্যায় পড়বে সাধারণ মানুষ।কিন্তু ইরান কি এভাবে হরমুজে ‘ট্রানজিট ফি’ বা কর আরোপ করতে পারে? রাষ্ট্রসংঘের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী, কোনও প্রণালীর সীমান্তবর্তী রাষ্ট্রগুলি শুধুমাত্র সেখানে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার জন্য কোনও অর্থ দাবি করতে পারে না। তবে তারা যদি কোনও রকম পরিষেবা প্রদান করে, তাহলে তারা সীমিত ফি আরোপ করতে পারে।উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জলপথ হরমুজ। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত এই সংকীর্ণ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। এটি বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথে সরবরাহ হওয়া মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক পঞ্চমাংশ। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত, কাতার, বাহরিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এই প্রণালির মাধ্যমে তেল রপ্তানি করে থাকে। তেলের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস—বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এই পথ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ। তারা হরমুজের মাধ্যমে গ্যাস রপ্তানির ওপরেই নির্ভরশীল। এই সব কারণেই হরমুজকে ‘বিশ্বের জ্বালানির লাইফলাইন’ বলা হয়।

You might also like!