
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এটাই প্রথম দুর্গাপুজো। আর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত মেগা অনুষ্ঠানের হাত ধরে ইতিমধ্যেই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে কলকাতা। একসঙ্গে ৩ হাজার ঢাকির বাদ্যি, চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা, লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো এবং ড্রোনের আলোয় রাতের আকাশে ‘দুর্গতিনাশিনী’র উপস্থিতি—সব মিলিয়ে মুগ্ধ তিলোত্তমা। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর উৎসবের আয়োজনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এবার সেই বর্ণাঢ্য আয়োজন দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন টলিউড সুপারস্টার জিৎ। পুজোর এই বিপুল আয়োজনের প্রশংসা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ভূমিকাও তুলে ধরেছেন অভিনেতা।
বুধবার রাতে সুরুচি সংঘের পুজো দেখতে গিয়েছিলেন জিৎ। পাড়ার পুজো বলে কথা। তাই সুরুচির মণ্ডপ থেকেই ঠাকুরদর্শন শুরু করলেন বলে জানালেন অভিনেতা। টলিউড সুপারস্টার জানালেন, ফি বছর পাড়ার পুজোয় আসেন, তবে নতুন সরকার আসায় এবারের দুর্গোৎসব যেন খানিকটা স্পেশাল তাঁর কাছে। কীরকম? এদিন সুরুচির মণ্ডপে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেকথাই জানালেন জিৎ। সুপারস্টার অভিনেতার কথায়, “পুজোয় এসেছি মায়ের দর্শন করতে। আনন্দ করতে। পাড়ার পুজো। আমি আগেও এসেছি, এবারও এলাম। তবে এবার নতুন দল, নতুন সরকার, নতুন উদ্যম, নতুন এনার্জি রয়েছে। আর আগামী দিনে এই সরকারের হাত ধরেই আমাদের সকলকে এগোতে হবে।”
জিতের মন্তব্য, “আজ সুরুচি দিয়ে ঠাকুরদর্শন শুরু করলাম। মঙ্গলবার গিয়েছিলাম কন্টাইতে। আমার সৌভাগ্য যে ওখানে আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গিয়ে ক্লাবের পুজোর অংশ হতে পারলাম। শিশিরবাবু ছিলেন। উনি উদ্বোধন করলেন। আমি ওনার পাশে থাকতে পারলাম। ওনার সঙ্গে কিছু কথা বলার সুযোগ পেলাম। আমার ওই মুহূর্তগুলো ভীষণ ভালো লাগল।” সম্প্রতি কাঁথির নান্দনিক ক্লাবের পুজো উদ্বোধন করেছেন জিৎ। যা কিনা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ক্লাবের পুজো বলেও পরিচিত। ৪৭তম বর্ষে সংশ্লিষ্ট ক্লাবের দুর্গাপুজোর থিম ‘পুণ্যভূমি মেদিনীপুরের বীরগাথা’। সেই পুজোর উদ্বোধনেই এদিন হাজির হয়েছিলেন পর্দার ‘বিপ্লবী অনন্ত সিং’ জিৎ। ফিরে এসে সেই অনুভূতিও ভাগ করে নিলেন সুরুচির মণ্ডপে দাঁড়িয়ে। এবার অবশ্য পুজো রিলিজের দৌঁড়ে নেই জিৎ। প্রতিমাদর্শনের মাঝেই কথাপ্রসঙ্গে সুপারস্টার জানালেন, “অবশ্য রিলিজ থাকলেও খুব একটা টেনশনে থাকি না। সততার সঙ্গে কাজ করলে চিন্তা কীসের?”
