Entertainment

1 hour ago

Raj-Subhashree: সম্পত্তির খতিয়ানে চমক! বারাকপুরে নির্বাচনী লড়াইয়ের আলোচনায় তারকা দম্পতি

Raj Chakraborty & Subhashree Ganguly
Raj Chakraborty & Subhashree Ganguly

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: টলিউড থেকে রাজনীতির ময়দান—দুই ক্ষেত্রেই নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন রাজ চক্রবর্তী। ২০২৬-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও বারাকপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র নেতৃত্বাধীন দল। সম্প্রতি জমা দেওয়া হলফনামা ঘিরেই এবার নতুন করে চর্চায় উঠে এল তাঁর সম্পত্তির হিসাব।

নথি অনুযায়ী,  পরিচালক-বিধায়কের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ১০ লক্ষ ৫১ হাজার ১৬৭ টাকা। গয়না নেই। হাতে নগদ বলতে ৩১ হাজার ৩২৬ টাকা এবং ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৯ হাজার ২০৬ টাকা ব্যাঙ্ক ও বিমায় বিনিয়োগ রয়েছে। টাটা নেক্সন (৭ লক্ষ ৮৮ হাজার ২১২) এবং ভলভো এক্সসি ৯০’র (৮০ লক্ষ ৬২ হাজার ৪২৩) মতো দুটি বিলাসবহুল ‘বাহন’ রয়েছে বারাকপুরের বিদায়ী বিধায়কের। স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণও নেহাত কম নয়! আরবানায় ৪ কোটি টাকার এক বিলাসবহুল ফ্ল্যাট-সহ আরেকটি বৈসয়িক সম্পত্তিও রয়েছে তৃণমূলের তারকাপ্রার্থীর। যার বাজারদর ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীর নামে কোনও কৃষিজ জমি নেই, তবে হালিশহরের বাড়ির বর্তমান বাজারদর ৯৫ লক্ষ টাকা। তৃণমূলের তারকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনও আইনি অভিযোগ কিংবা মামলা নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা দ্বাদ্বশ শ্রেণী পর্যন্ত। তবে হলফনামার হিসেব অনুযায়ী, সম্পত্তির নিরিখে স্বামীর চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়! তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৩ কোটি ১৫ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৭৭ টাকা। বিদায়ী বিধায়কপত্নীর সোনার গয়নার বর্তমান বাজারদর জানলেও চক্ষু চড়কগাছ হতে বাধ্য! খতিয়ান অনুযায়ী, ১৯০০ গ্রাম সোনা রয়েছে শুভশ্রীর। যার বাজারদর ২ কোটি ৬০ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। নায়িকা যে গয়না পরতে বেশ ভালোবাসেন, সেটা বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে তাঁর সাজপোশাকই বলে দেয়। ব্যাঙ্কে বিনিয়োগ করেছেন ১০ কোটি ৩৮ লক্ষ ৩৬ হাজার ১২৬ টাকা। অন্যদিকে নিজস্ব ফ্ল্যাট, গাড়ি সবমিলিয়ে শুভশ্রীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি ২৬ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৫৪ টাকা।


উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে প্রথমবার বারাকপুর থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন রাজ চক্রবর্তী। এবারও সেই কেন্দ্রেই তাঁকে ভরসা করেছে দল। ইতিমধ্যেই তিনি জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছরে এলাকার উন্নয়নে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং আগামী দিনেও মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। প্রতিপক্ষকে গুরুত্ব না দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজকেই হাতিয়ার করে ভোটের ময়দানে নামতে চান তিনি। তাঁর কথায়, কাজের ভিত্তিতেই হবে আসল লড়াই। বারাকপুরের মানুষের সঙ্গে গত কয়েক বছরে যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, সেটাই এবার তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন এই তারকা প্রার্থী।

You might also like!