
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজি মুক্তির পর থেকেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছে ছবিটি। ১৯ মার্চ রিলিজের পর থেকেই একাংশের দাবি, এটি নাকি ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’, এমনকি ‘বিগ বাজেট নির্বাচনী প্রচার’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিতর্কের সূত্রপাত করেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী, যার জেরে বিষয়টি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক ও বিনোদন—দুই মহলেই। এই বিতর্কের আবহেই নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন ছবির মুখ্য অভিনেতা রণবীর সিং। সম্প্রতি অনন্ত আম্বানির জন্মদিন উপলক্ষে জামনগরে যাওয়ার পর ফেরার পথে নাগপুরে থেমে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর সদর দপ্তরে যান তিনি। রেশিমবাগে অবস্থিত কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করার পাশাপাশি সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন অভিনেতা।

সূত্রের খবর, শুক্রবার বিকেলে মুম্বই থেকে চার্টার্ড বিমানে নাগপুরে পৌঁছে সরাসরি আরএসএস দপ্তরে যান রণবীর। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। যদিও এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য বা আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এদিকে, ‘ধুরন্ধর’ ঘিরে প্রোপাগান্ডার অভিযোগ যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় রণবীরের আরএসএস সফর নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি খুব শ্রীঘ্রই রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন বলিউড তারকা?
যদিও বিনোদন জগতের সঙ্গে রাজনীতির যোগ নতুন নয়। অতীতে সুনীল দত্ত, হেমা মালিনী, জয়া বচ্চন, জয়াপ্রদা, অমিতাভ বচ্চনের মতো বহু তারকাই সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ নিয়েছেন। কেউ হয়েছেন সাংসদ, কেউ বা বিধায়ক। ফলে রণবীর সিংয়ের এই পদক্ষেপও সেই ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত কিনা, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে, ‘ধুরন্ধর’ বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালল রণবীরের নাগপুর সফর—এমনটাই মনে করছে একাংশ। এখন দেখার, এই জল্পনা কতটা বাস্তব রূপ পায়।
