Breaking News
 
Durga Puja 2026: ৩০০০ ড্রোনে আকাশে ফুটবে দুর্গার আবাহন, মহালয়ায় ইডেনে বিশেষ চমক, সঙ্গে বিজয়া সম্মেলনী Seva Jyoti Yatra: ৭ অক্টোবর বাংলার সব জেলায় পদযাত্রা, জায়ান্ট স্ক্রিনে মোদির ভাষণ, ‘সেবা জ্যোতি’ কর্মসূচি বিজেপির Birbhum bomb blast: বোর্ড গঠন ঘিরে বীরভূমের বুধিগ্রামে বোমাবাজি, আতঙ্কে ছোটাছুটি, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা Kolkata Heritage Tea Shops: শতাব্দীপ্রাচীন স্বাদের স্বীকৃতি! হেরিটেজ তালিকায় চিত্তবাবুর দোকান-সহ বাংলার ৮ প্রতিষ্ঠান Byelections 2026: বাগ্‌বিতণ্ডার পর গ্রেফতার হুমায়ুন কবীর, লাগাতার হুমকির অভিযোগে পুলিশি পদক্ষেপ Bengal bypolls: নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে শুভেন্দুর বার্তা, ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ভোটার থাকব’, হুমায়ুন ইস্যুতেও মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা

 

Entertainment

5 months ago

Akshay Chilling Memory: বৈষ্ণোদেবীতে মৃত্যু-সঙ্কট! শৈশবের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অ্যাকশন হিরো অক্ষয়

Akshay Kumar recalls an incident from his childhood
Akshay Kumar recalls an incident from his childhood

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পর্দায় অ্যাকশন হিরো হিসেবে দুর্দান্ত ফিটনেসের জন্য পরিচিত অক্ষয় কুমার। নিয়মিত শরীরচর্চা, কড়া ডায়েট—সব মিলিয়ে বয়সের ছাপ যেন তাঁর কাছে হার মানে। কিন্তু সেই তিনিই ছোটবেলায় বৈষ্ণোদেবী তীর্থে গিয়ে এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা আজও মনে করলে শিউরে ওঠেন অভিনেতা।

সম্প্রতি তাঁর আসন্ন ছবি  ‘ভূত বাংলা’র প্রচারে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় সেই ঘটনাই তুলে  ধরলেন খিলাড়ি। দীর্ঘ ১৪ বছর পর পরিচালক প্রিয়দর্শন-এর সঙ্গে জুটি বেঁধে এই নতুন হরর-কমেডি নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। আর সেই উপলক্ষেই উঠে এল তাঁর জীবনের এক বিভীষিকাময় অজানা অধ্যায়। কারণ অক্ষয় কুমার বরাবরই ঈশ্বরে বিশ্বাসী। সময়-সুযোগ পেলেই মন্দির থেকে দরগায় ঢুঁ মারেন। আবার কখনও বা জনসেবার জন্য অকাতরে বিলিয়ে দেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এবার এক অলৌকিক ঘটনার কথা ভাগ করে নিলেন।


অক্ষয় জানান, “সন্তানলাভের আশায় আমার মা-বাবা বৈষ্ণোদেবীতে গিয়ে পুজো দিয়েছিলেন। ঈশ্বরের কাছে তাঁরা প্রার্থনা করেছিলেন, আমাদের একটি সন্তান দিন, তবে সে যেন খানিক দুরন্ত প্রকৃতির হয়। তার ঠিক একবছর পরেই আমার জন্ম হল। তাই আমার মা-বাবা আবারও আমাকে নিয়ে বৈষ্ণোদেবী তীর্থে যাওয়ার মনস্থ করেন। তবে সেই আধ্যাত্মিক সফরে এক চরম অভিজ্ঞতা হয় আমার।” খিলাড়ির আরও সংযোজন, “আচমকাই আমার শরীর খারাপ হয়ে যায়। প্রচণ্ড জ্বর আসে। প্রথমে ১০৩, তারপর সেটা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। গা পুডে় যাচ্ছিল জ্বরে! একটা সময়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেসময়ে কাটরায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসক আমাকে তড়িঘড়ি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। কারণ তখনও সেখানকার চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নত ছিল না।” ১৯৬৯ সালের সেই ঘটনাকে আজও “অলৌকিক রক্ষা” বলেই মনে করেন অভিনেতা। বহু বছর পর আবার সেই স্মৃতি সামনে এনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। সব মিলিয়ে, ‘ভূত বাংলা’-র প্রচারের মঞ্চে উঠে এল অক্ষয় কুমারের জীবনের এক রুদ্ধশ্বাস অধ্যায়, যা তাঁর ভক্তদের কাছেও একেবারেই অজানা এক গল্প।


You might also like!