Breaking News
 
Durga Puja 2026: ৩০০০ ড্রোনে আকাশে ফুটবে দুর্গার আবাহন, মহালয়ায় ইডেনে বিশেষ চমক, সঙ্গে বিজয়া সম্মেলনী Seva Jyoti Yatra: ৭ অক্টোবর বাংলার সব জেলায় পদযাত্রা, জায়ান্ট স্ক্রিনে মোদির ভাষণ, ‘সেবা জ্যোতি’ কর্মসূচি বিজেপির Birbhum bomb blast: বোর্ড গঠন ঘিরে বীরভূমের বুধিগ্রামে বোমাবাজি, আতঙ্কে ছোটাছুটি, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা Kolkata Heritage Tea Shops: শতাব্দীপ্রাচীন স্বাদের স্বীকৃতি! হেরিটেজ তালিকায় চিত্তবাবুর দোকান-সহ বাংলার ৮ প্রতিষ্ঠান Byelections 2026: বাগ্‌বিতণ্ডার পর গ্রেফতার হুমায়ুন কবীর, লাগাতার হুমকির অভিযোগে পুলিশি পদক্ষেপ Bengal bypolls: নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে শুভেন্দুর বার্তা, ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ভোটার থাকব’, হুমায়ুন ইস্যুতেও মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা

 

Country

1 month ago

Parliament Monsoon Session : আলোচনা ছাড়াই একের পর এক বিল পাশ? ৪০ মিনিটে ১০ বিল ঘিরে সংসদে নতুন বিতর্ক

Parliament Monsoon Session
Parliament Monsoon Session

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ‘দুর্জনের ছলের অভাব হয় না’—প্রবাদটি টেনে সংসদের বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করা যায়। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী শিবিরের লাগাতার বিক্ষোভ ও হট্টগোলের জেরে অধিবেশনের অধিকাংশ সময়ই নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ, স্লোগান এবং ওয়াকআউটের জেরে বারবার মুলতুবি হয়েছে সংসদের কাজ। ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। তবে আলোচনার সময় কমলেও বিল পাশের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেনি কেন্দ্র। সংসদে যতটুকু সুযোগ মিলেছে, সেই সময়েই একের পর এক বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। ফলে বাদল অধিবেশনের শেষলগ্নে বিরোধীদের আন্দোলন বনাম সরকারের আইন পাশের কৌশল—দুইয়ের সংঘাতই হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয়।

বাদল অধিবেশন যখন শুরু হল তখন কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের দাবি ছিল রাম মন্দিরের অনুদান চুরি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। এর পর এল পড়ুয়াদের ইস্যু। রাহুলরা এবার সরব হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ইস্যুতে। কিছুদিন বাদে প্রধান ইস্তফা দিলেন। এবার রাহুলদের নতুন দাবি, দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর নৃশংসতা করা হল কেন, অমিত শাহকে সংসদে এসে জবাব দিতে হবে। এখন অমিত শাহও সংসদে বিবৃতি দিতে রাজি। বস্তুত বিরোধীদের সব দাবিই মানছে সরকার। অথচ আবার নয়া ইস্যু তুলে অচলাবস্থা জারি রেখেছে বিরোধী শিবির। এবার দাবি শুধু পড়ুয়াদের ইস্যু নয়, শাহকে বিবৃতি দিতে হবে রাম মন্দিরে অনুদান চুরি নিয়েও। মোট কথা, যেভাবেই হোক বিরোধী শিবির গোটা বাদল অধিবেশন অচল করে দেওয়ার ছক কষেছে।

সব মিলিয়ে বাদল অধিবেশনে বুধবারের আগে পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ১৫ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট। রাজ্যসভায় অবশ্য তুলনায় বেশি, ২৪ ঘণ্টা ২১ মিনিট কাজ হয়েছে। অথচ দুই কক্ষেই অন্তত ৯০ ঘণ্টা করে কাজ হওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ ৮০ শতাংশের বেশি কাজের সময় অধিবেশন মূলতুবিই থেকে গিয়েছে। কিন্তু তাতে তো আর প্রয়োজনীয় বিলগুলিকে আটকে রাখা যায় না। তাই সরকার যখন যেটুকু সময় পেয়েছে তাতেই একের পর এক বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে। সরকার সব মিলিয়ে ১৯টি বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে অতি সামান্য সময়েই। পর্যালোচনা করে দেখা যাবে এর মধ্যে অন্তত ১০টি বিলে গড় সময় দেওয়া হয়েছে চার মিনিটেরও কম। অর্থাৎ ৪০ মিনিটেরও কম সময়ে পাশ হয়েছে ১০ বিল।সরকারের এই অতিরিক্ত গতিতে বিল পাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী শিবির। কালীঘাট তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন বলছেন, “আইন পাশ হচ্ছে যেন ম্যাগি নুডল তৈরির গতিতে। গত ১৭ দিনে অন্তত ১০টি বিল গড়ে ৪ মিনিটেরও কম সময়ে পাশ করিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংসদকে যেন ওরা অন্ধ কুঠুরিতে পরিণত করছে।”

You might also like!