Cooking

48 minutes ago

Summer Sweet Delight: গরমে ঘরোয়া স্বাদের মিষ্টি! সহজ উপায়ে বানিয়ে ফেলুন তালের শাঁসের পায়েস

Talshash Payesh Delight
Talshash Payesh Delight

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দাবদাহে হাঁসফাঁস করা গরমে ঠান্ডা ও সুস্বাদু কিছু খেতে মন চাইছেই। আর সেই তালিকায় যদি থাকে ঘরোয়া স্বাদের কোনও মিষ্টি পদ, তাহলে তো কথাই নেই। অল্প উপকরণে খুব সহজেই তৈরি করা যায় তালের শাঁসের পায়েস, যা স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনই গরমের দিনে এনে দেয় প্রশান্তি। নরম ও রসালো তালের শাঁসের সঙ্গে ঘন দুধ এবং এলাচের মিষ্টি সুবাস মিশে এই পায়েসকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। অনেকেই গরমকালে ঠান্ডা করে এই পায়েস খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে দুপুরের খাবারের পর কিংবা বিকেলের জলখাবারে এটি হতে পারে এক আদর্শ মিষ্টান্ন। 

* তালের শাঁসের পায়েস বানাতে প্রয়োজন-- দুধ ৭০০ গ্রাম, চিনিগুঁড়ো, চাল আধ কাপ, তালের শাঁস ৫টি, পেস্তাবাদাম কুচি ৪ টেবিল চামচ,গুঁড়ো দুধ ৩ টেবিল চামচ,এলাচ ২টি, চিনি স্বাদমতো।

* কীভাবে বানাবেন তালের শাঁসের পায়েস? প্রথমে একটি পাত্রে আধ লিটার তরল দুধ মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। দুধ গরম হতে শুরু করলে স্বাদমতো চিনি ও ২ চা-চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে ভালভাবে নাড়তে হবে। এতে পায়েসের স্বাদ আরও বাড়ে এবং দুধ দ্রুত ঘন হয়।  দুধ কিছুটা ঘন হয়ে এলে তালের শাঁস ছোট ছোট করে কুচি করে মিশিয়ে দিন। তালের শাঁস দুধের সঙ্গে মিশে গেলে পায়েসে প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ ও সুগন্ধ আসে।

রুপোর পাত্রে বাদাম কুচি ও সামান্য এলাচ গুঁড়ো দিয়ে আরও কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হবে। এলাচের হালকা সুগন্ধি পায়েসের স্বাদকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। চাইলে কাজুবাদাম বা পেস্তাও মেশাতে পারেন। পায়েসটি তৈরি হয়ে গেলে আঁভ থেকে নামিয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ রেখে দিন। পরে ফ্রিজে রেখে আরও ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে স্বাদ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে গরমের দুপুর বা রাতের খাবারের পর তালের শাঁসের পায়েস দারুন জমে। কম সময়ে তৈরি হওয়া এবং আলাদা স্বাদের জন্য বর্তমানে অনেকের কাছেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই ঘরোয়া পদ। গরমের দিনে পরিবারের সবাইকে চমকে দিতে তাই একবার বানিয়েই দেখতে পারেন তালের শাঁসের পায়েস।

উল্লেখ্য, গরমে তাল শাঁসের উপকারিতা বিস্তর। ডিহাইড্রেশন দূর করে। তালশাঁসের প্রায় পুরোটাই জলীয় অংশ, যা গরমে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরের জলের ঘাটতি ও ক্লান্তি দূর করে। তাল শাঁস হজমশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, রক্তশূন্যতা কমায়, লোভার ভাল রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। 


You might also like!