
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: গরমকাল এলেই বাজারে পটলের ছড়াছড়ি। বাঙালির রান্নাঘরে এই সব্জি দিয়ে ভাজা, আলু-পটলের তরকারি কিংবা ঝোল প্রায় নিত্যদিনই তৈরি হয়। তবে রোজকার একই স্বাদের রান্নায় অনেক সময়ই আসে একঘেয়েমি। তাই চেনা পটল দিয়েই যদি একটু অন্যরকম পদ বানাতে চান, তাহলে ট্রাই করতে পারেন ‘পটল মুগেশ্বরী’।
∆ উপকরণ:
৬টি কচি পটল
আধ কাপ সোনামুগের ডাল
২ টেবিল চামচ ঘি
১টি তেজপাতা
২-৩টি লবঙ্গ
৪-৫টি গোলমরিচ
২-৩টি ছোট এলাচ
১ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো
১ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো
১ চা-চামচ লঙ্কার গুঁড়ো
১ টেবিল চামচ আদাবাটা
এক চিমটে হিং
আধ চা-চামচ হলুদ
২-৩টি শুকনো লঙ্কা
স্বাদমতো নুন, চিনি
১ টেবিল চামচ গরমমশলাগুঁড়ো
জ্বাল দিয়ে রাখা এক বাটি দুধ
∆ প্রণালী: পটলের খোসা খানিক রেখে ছাড়িয়ে নিন। দুই প্রান্ত আড়াআড়ি কেটে নিন। ছুরি দিয়ে লম্বালম্বি খানিকটা কেটে নিন পটলের দুই দিক। নুন-হলুদ মাখিয়ে পটল ভেজে নিন। পটল ভাজা হবে, কিন্তু বেশি নরম যেন হয়ে না যায়।একটি কড়াইয়ে মুগডাল হালকা নাড়াচাড়া করে জলে ধুয়ে নিন। রান্নার জন্য বানিয়ে ফেলুন মশলা। ধনে, জিরে, লঙ্কা, হলুদগুঁড়ো অল্প জল দিয়ে গুলে নিন।
কড়াইয়ে তেল দিন। তেল গরম হলে তেজপাতা, গোটা গরম মশলা, হিং, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। যোগ করুন আদাবাটা। হালকা কষিয়ে নিয়ে মশলা দিয়ে দিন। মশলার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে দিন ধুয়ে রাখা মুগডাল। যোগ করুন স্বাদমতো নুন। মশলার সঙ্গে কষিয়ে অল্প জল দিয়ে আঁচ কমিয়ে মুগডাল সেদ্ধ হতে দিন। ৫০ শতাংশ হয়ে এলে যোগ করুন এক বাটি দুধ। দুধেই মুগডাল সেদ্ধ হবে। ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে ভাজা পটল দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। শেষ ধাপে যোগ করুন অল্প একটু ঘি এবং গরমমশলা।
রোজকার রান্নায় নতুনত্ব আনতে এই পদ হতে পারে দুর্দান্ত বিকল্প। সহজ উপকরণে কম সময়ে তৈরি হলেও স্বাদে কিন্তু একেবারে রেস্তরাঁর ছোঁয়া— এমনটাই বলছেন রন্ধনপ্রেমীরা।
