
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ যিনি আপামর ভারতবাসীর ক্রিকেট আইকন তাঁর সম্পর্কে এমন দাবি ও পোস্টার দেখে অবাক সমস্ত ভারতবাসী। ব্যাপারটা কী? সচিন টেন্ডুলকারের বাড়ির সামনে এমন অজস্র সচিন বিরোধী পোস্টের ছেয়ে গেছে। জানা যাচ্ছে এর কেন্দ্রে আছে মাস্টার ব্লাস্টারের একটা বিজ্ঞাপন। দেশের ব্যাটিং কিংবদন্তি, মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকরের বাড়ির সামনে শুরু হয়েছে এই প্রতিবাদ। প্ল্যাকার্ডে ইংরেজিতে লেখা ‘ব্যাটিং থেকে বেটিং’ এবং মরাঠি ভাষায় লেখা বড় ব্যানার। নেতৃত্বে রয়েছেন প্রহার জনশক্তি পার্টির নেতা ওমপ্রকাশ বাবারাও ওরফে বাচ্চু কাডু। ব্যাপারটা প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। সচিন তেন্ডুলকরের মতো ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব দেশের আট থেকে আশির আইকন। তিনি যদি জুয়া খেলার প্রচার করেন সেটা সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। এখন স্বাভাবিক প্রশ্ন এমন বিজ্ঞাপন তো ধোনি থেকে শুরু করে সৌরভ পর্যন্ত অনেকেই মাঝে মাঝে দিয়ে থাকেন। তাহলে? এবার আরো স্পষ্ট হলো বিষয়টা।
যে মানুষের ক্রিকেট কেরিয়ার জলের মতো স্বচ্ছ। ব্যক্তিগত জীবনেও যিনি বিতর্ক থেকে শত ক্রোশ দূরে থাকেন সেই সচিন তেন্ডুলকরের বাড়ির সামনে এমন অবস্থান প্রতিবাদের কারণ কী? অনলাইন গেমিং অ্যাপের রমরমা এখন প্রবল। সোজা ভাষায় যা হল অনলাইনে জুয়া খেলা। এই সত্যিটা জানা সত্ত্বেও সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মহেন্দ্র সিং ধোনি, ঋষভ পন্থের মতো ক্রিকেটারদের বিভিন্ন সময় এই অনলাইন গেমিং অ্যাপগুলির প্রচার মুখ হতে দেখা গিয়েছে। আইপিএলের সময় এই অ্যাপগুলির রমরমা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এটা ঠিক এটা এক ধরনের গ্যামলিং বা জুয়া। কিন্তু এখন তো সরকার অনুমদিত জুয়া বা লটারি সারা ভারতজুড়ে হচ্ছে।
প্রতিবাদীদের বক্তব্য - সচিনকে ভারতরত্ন দেওয়া হয়েছে। তিনি সমস্ত ভারতবাসীর আদর্শ। তাহলে তিনি এই জাতীয় জুয়া খেলার বিজ্ঞানে নিজেকে যুক্ত করে কি করে নতুন প্রজন্মকে জুয়া খেলার দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারেন? একজন ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত মানুষের ব্যক্তিগত অর্জনের থেকে দেশের কথা আগে ভাবা উচিত। তিনি ইতিমধ্যেই এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে চিঠি পাঠিয়েছেন।সচিনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অবশ্য কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি।
