kolkata

1 hour ago

Shamik Bhattacharya: ‘এটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’—শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক খুনে সরব শমীক

Shamik Bhattacharya
Shamik Bhattacharya

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বারাসত হাসপাতালের চত্বরে তখন উত্তেজনার আবহ। ভিতরে চলছে চন্দ্রনাথ রথের ময়নাতদন্ত, আর বাইরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। সেই পরিস্থিতিতেই বিস্ফোরক অভিযোগ শোনালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আগামী ৯ মে রাজ্যের বিজেপির সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ব্রিগেডে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের হাজির থাকার কথা। তার আগে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলে তৃণমূলকেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শমীকের দাবি, এত বড় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের খবর স্থানীয় দুষ্কৃতী বা (তৃণমূল) নেতৃত্বের কাছে ছিল না, এটা হতে পারে না।

বুধবার রাত ১১টা নাগাদ মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পরেই বিবৃতি জারি করে ঘটনার নিন্দা করেছিল তৃণমূল। তারা আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্তেরও দাবি জানিয়েছে। যদিও তৃণমূলের এই বক্তব্যকে গুরুত্ব না দিয়েই শমীকের বক্তব্য, ‘উনি (চন্দ্রনাথ) একজনের আপ্ত সহায়ক। অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। প্রাক্তন সেনাকর্মী। তাঁকে এ ভাবে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে মারার উদ্দেশ্যটা কী? এটা সম্পূর্ণ ভাবে পরিকল্পিত প্রতিহিংসাজনিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। এর বেশি কিছু বলতে পারছি না। কারণ তদন্ত চলছে।’

শমীক জানান, তাঁর অনেক কিছু বলার থাকলেও বিজেপির সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের কথা মাথায় রেখে তা তিনি করতে পারছেন না। তবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেই দুষেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেছেন, ‘কালকের ঘটনা প্রমাণ করে দিল, এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। তৃণমূল প্রশাসনকে ধ্বংস করেছে। পুলিশের রাজনীতিকরণকে সম্পূর্ণ করেছে। অপরাধীদের ভয়মুক্ত করেছে। একরকম বার্তা দেওয়ার জন্যই এই হত্যাকাণ্ড। প্রধানমন্ত্রী দু’দিন বাদে আসছেন। তাঁকে বার্তা দেওয়ার জন্য? উত্তেজনা অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলেছে। আমি আমার দলের কর্মীদের বার্তা দিয়েছি, যাতে কেউ কোনও হিংসার ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকে।’

বুধবারই নবান্নে গিয়ে শমীক জানিয়েছিলেন, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা রুখতে প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, তার পরেই শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক খুনে স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক টানাপড়েন আরও তীব্র হয়েছে। শমীকের অভিযোগ, অধিকাংশ জায়গায় যাঁরা হিংসার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা কয়েক ঘণ্টা আগে পর্যন্তও তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শমীক বলেন, ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাচ্ছে, তারা চার ঘণ্টার বিজেপি। আগের দিন রাতেই বিজেপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে লিখেছে সমাজমাধ্যমে। পরের দিন তার হাতে বিজেপির পতাকা।’

You might also like!