
কলকাতা, ২২ জানুয়ারি: সেদিন কোভিডের কারণে ময়দানে তাকে শেষবার নিয়ে যাওয়া হয়নি। তবুও সেদিন কোভিডকে উপেক্ষা করে পুরো ময়দানই হাজির হয়েছিল একবালপুরের সেই বেসরসারি নার্সিংহোমে যেখানে সুভাষ ভৌমিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন, তাদের প্রিয় ‘ভোম্বল’কে শেষবার চোখে দেখার জন্য। কলকাতা ময়দানের ফুটবল প্রেমীরা তাঁর নাম দিয়েছিল ‘বুলডোজার’। কারণ তাঁর পায়েই জাদুতেই ৭০ দশকে ফুটবলপ্রেমী মানুষ যে আত্মহারা হয়েছিল।ষাটের দশকের শেষ দিকে উত্তরবঙ্গের মালদহ থেকে এসে প্রায় এক যুগ ময়দানে দুই প্রধানে রাজত্ব করেছিলেন। শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, পরে কোচ হিসেবেও একের পর এক গৌরবের কীর্তি লিখে গিয়েছেন সকলের আদরের ‘ভোম্বলদা’,'সুভাষদা'।
শুধু ক্লাবে কেন বাংলা ও দেশের হয়েও ট্রফি জিতেছেন সুভাষ অনেকবার। বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ী দলের সদস্য যেমন ছিলেন তেমনি ভারতের হয়ে ১৯৭০ সালে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন সুভাষ। তাঁর কোচিংয়েই ২০০৩ সালে আশিয়ান কাপ জেতে ইস্টবেঙ্গল। যা সুভাষের কোচিং জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। ২২ জানুয়ারি বাংলা তথা ভারতীয় ফুটবলের এই কিংবদন্তিকে স্মরণ করার দিন।
