
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ গত চার আসরের তিনবার প্লে-অফের জন্য কোয়ালিফাই করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে এবারের কলকাতার দলটা গত কয়েক বছরের তুলনায় কিছুটা দুর্বল ধরা চলে। সাকিব, রাসেল, নারিনদের সঙ্গে এবার কলকাতা দলে টেনেছে বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান লিটন দাসকে। প্রথমবার সুযোগ পাওয়া লিটন কি কলকাতার শুরুর একাদশে সুযোগ পাবেন? কেমনই বা হবে কলকাতার এবারের একাদশ, এক নজরে দেখে নেয়া যাক। আইপিএলে একটি দলে চারজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলার সুযোগ পান। ২০২৩ সালের আইপিএলে কলকাতায় বিদেশি খেলোয়াড়ের মধ্যে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, সুনীল নারিন, আন্দ্রে রাসেল, লিটন দাস, রহমানুল্লাহ গুরবাজ, টিম সাউদি, লকি ফার্গুসন এবং ডেভিড উইসে। এদের মধ্যে চারজন সেরা একাদশে সুযোগ পাবেন। তবে এতেও কিছু ঝামেলা রয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখনও বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটারকে আইপিএল খেলার ছাড়পত্র দেয়নি। ফলে আইপিএলের শুরু থেকে খেলতে পারবেন না কলকাতার দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটার সাকিব ও লিটন। এদিকে লকি ফার্গুসনের ইনজুরি কিছুটা চিন্তায় ফেললেও শুরু থেকেই তিনি খেলতে পারবেন। তবে যদি সাকিব ও লিটনকে বিসিবি ছাড়পত্র না দেয়, আর তাঁদের জায়গায় অন্যরা ভালো পারফর্ম করে ফেলেন তাহলে কলকাতার একাদশে জায়গা পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে তাদের জন্য। এমনিতেই সাকিবের বিকল্প হিসেবে দলে রয়েছেন নারিন, আর লিটন নিজেকে প্রমাণ করেই দলে জায়গা করে নিতে হবে। কারণ এটি তাঁর প্রথম আইপিএল।
এদিকে প্রতি ম্যাচেই রাসেল ও সাউদির জায়গা অনেকটা নিশ্চিতই বলা চলে। ফলে বাকি দু'জন কাকে খেলাবে কলকাতা তা নিয়েই প্রশ্ন। তবে একদিক থেকে এগিয়ে থাকবেন নারিন ও উইসে। কারণ তাঁরা দুজনই অলরাউন্ডার। যদি এই দুই জনের একজন জ্বলে ওঠে, তাহলে সাকিবের দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে। আর রহমানুল্লাহ গুরবাজ বর্তমান সময়ে সেরা এখন ওপেনার হিসেবে বিবেচিত। তাই তাঁর জায়গাটাও পাকাই বলা যায়।
এদিকে কলকাতার নতুন অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন নিতিশ রানা। ফলে একাদশে তার জায়গা নিশ্চিত। এ ছাড়া রিংকু সিং, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, শার্দুল ঠাকুর এবং উমেশ যাদব একাদশে নিয়মিত খেলোয়াড়ই।
কলকাতার সম্ভাব্য একাদশ :
রহমানুল্লাহ গুরবাজ, জগদীসান, রিংকু সিং, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, শার্দুল ঠাকুর, উমেশ যাদব, নিতেশ রানা, টিম সাউদি/লকি ফার্গুসন, আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিন/সাকিব আল হাসান, বরুণ চক্রবর্তী।
