Breaking News
 
BJP : রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পাশে সরকার, চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর

 

Game

3 years ago

‘তোমার জন্য গুলি খেতেও রাজি’, বিরাটকে বার্তা হার্দিকের

Hardik Pandya on Virat Kohli
Hardik Pandya on Virat Kohli

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রায় হেরে যেতেই বসেছিল ভারত। মাত্র ৩১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা ভারতীয় ইনিংসকে টেনে তোলেন বিরাট কোহলি ও হার্দিক পাণ্ডিয়া। সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ গড়ে লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন দলকে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে ধরাশায়ী করে দেয় ভারত। ম্যাচের শেষে হার্দিক বললেন, বিরাটের জন্য গুলি খেতেও রাজি আছেন তিনি। ম্যাচ জেতানোর দুই কারিগর-হার্দিক ও বিরাটের কথায় উঠে এল, কীভাবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচে টিকে থেকে জয়ের রাস্তা তৈরি করেছেন তাঁরা। সেই কথোপকথনের ভিডিও তুলে ধরা হয়েছে বিসিসিআইয়ের ওয়েবসাইটে। প্রথমেই হার্দিকের কথায় উঠে এল হ্যারিস রউফকে মারা বিরাটের দুটো ছয়ের কথা। ১৯তম ওভারের শেষ দুই বলে পরপর ছক্কা হাঁকান বিরাট। সেখান থেকেই ভারতীয় ড্রেসিংরুমে ফের ম্যাচ জয়ের আশা তৈরি হয়। “আমি নিজে অনেক ছক্কা মেরেছি, কিন্তু ওই দুটো শট আমার কাছে খুবই স্পেশ্যাল। কোহলি ছাড়া আর কেউ ওইভাবে ছক্কা মারতে পারবে না”, বলেছেন হার্দিক। তিনি আরও বলেছেন, লড়াই করে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছেন বলেই এই জয়ের স্বাদ এত মধুর। বিরাটের সঙ্গে আলোচনায় হার্দিক বলেছেন, “দু’জনে মিলে লড়াই করছিলাম বলেই ম্যাচটা আমাদের কাছে এত স্পেশ্যাল হল। যদি সহজ পরিস্থিতি থেকে সুন্দর শট খেলে ম্যাচটা শেষ হয়ে যেত, তাহলে হয়তো এতটা আনন্দ হতো না।” এরপরেই হার্দিক বলেছেন, “আমি যখন ব্যাট করতে নামি, খুব একটা চাপ অনুভব করিনি। সমস্ত অনুভূতি গুলোই কেমন অসাড় হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মাথায় ছিল একটাই কথা-শেষ পর্যন্ত এই ম্যাচ টেনে নিয়ে যেতে হবে। আউট হয়ে গেলে চলবে না।”

You might also like!