Breaking News
 
Durga Puja 2026: ৩০০০ ড্রোনে আকাশে ফুটবে দুর্গার আবাহন, মহালয়ায় ইডেনে বিশেষ চমক, সঙ্গে বিজয়া সম্মেলনী Seva Jyoti Yatra: ৭ অক্টোবর বাংলার সব জেলায় পদযাত্রা, জায়ান্ট স্ক্রিনে মোদির ভাষণ, ‘সেবা জ্যোতি’ কর্মসূচি বিজেপির Birbhum bomb blast: বোর্ড গঠন ঘিরে বীরভূমের বুধিগ্রামে বোমাবাজি, আতঙ্কে ছোটাছুটি, এলাকায় তীব্র উত্তেজনা Kolkata Heritage Tea Shops: শতাব্দীপ্রাচীন স্বাদের স্বীকৃতি! হেরিটেজ তালিকায় চিত্তবাবুর দোকান-সহ বাংলার ৮ প্রতিষ্ঠান Byelections 2026: বাগ্‌বিতণ্ডার পর গ্রেফতার হুমায়ুন কবীর, লাগাতার হুমকির অভিযোগে পুলিশি পদক্ষেপ Bengal bypolls: নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে শুভেন্দুর বার্তা, ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ভোটার থাকব’, হুমায়ুন ইস্যুতেও মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা

 

Entertainment

3 years ago

Smugglers:বক্স অফিসে এই কোরীয় সিনেমার বাজিমাত

Smugglers
Smugglers

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বক্স অফিসে বাজিমাত করেছে কোরীয় সিনেমা ‘স্মাগলার্স’। সিনেমাটি গত ২৬ জুলাই মুক্তি পায়। এখনো কোরীয় বক্স অফিসে শীর্ষে রয়েছে। মুক্তির ১৯ দিনে সিনেমাটি আয় করেছে ৩৫ মিলিয়ন ডলার। হলিউডের সিনেমার বড় একটা আয় হয় কোরীয় মার্কেট থেকে। এবার তারা কোরীয় ভাষার সিনেমার কাছে হেরে গেছে। বক্স অফিসে রেকর্ড গড়া আলোচিত এই সিনেমায় কী আছে? কেনই বা দর্শকেরা এখনো সিনেমা দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন? 

অ্যাকশন, ক্রাইম ধারার এই সিনেমায় উঠে এসেছে চোরাচালানের মাধ্যমে উপকূলীয় নারীদের টিকে থাকার সংগ্রাম। সিনেমায় যেমন রয়েছে অ্যাকশন, তেমনি মানবিক নানা বিষয়। যে কারণে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বেশি।

গত শতকের নব্বইয়ের দশকের কথা। যখন কোরিয়ার সঙ্গে সারা বিশ্বের যোগাযোগ সেভাবে ছিল না। তখন কালোবাজারি ডিলাররা যুক্তরাষ্ট্রের সিগারেটসহ অনেক কিছুই হাতের নাগালে পেতেন। এসব পণ্য অবৈধ পথে কোরিয়ায় পৌঁছাত। এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতরা বেশির ভাগই ছিলেন পুরুষ। তাঁরা একই সঙ্গে সাগরে মাছ লুট করাসহ নানা রকম অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কিন্তু পরে তাঁরা বুঝতে পারেন এসব চোরাচালান নারীদের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। পরে এই কাজে যুক্ত হন নারীরা। সমুদ্র উপকূলে বাড়তে থাকে নারী অপরাধ কর্মকাণ্ড। সেই ঘটনাগুলো নিয়ে তৈরি হয়েছে কোরীয় সিনেমা ‘স্মাগলার্স’।

সিনেমাটি গত দুই সপ্তাহ ধরে আয়ে শীর্ষে রয়েছে। সিনেমাটি দিয়ে এ বছর নতুন করে নিজেদের বক্স অফিসে বাজিমাত করল কোরিয়া। কারণ, এর আগে মুক্তি পাওয়া ‘মিশন ইম্পসিবল: ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান’, ‘এলিমেন্টাল’, ‘দ্য রাউন্ড আপ: নো ওয়ে আউট ’, ‘ফাস্ট এক্স’, ‘গার্ডিয়ান অব দ্য গ্যালাক্সি’ একাধিক হলিউড সিনেমা কোরিয়ার বক্স অফিসে রাজত্ব করছিল। সেখানে দেশের সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের অন্যতম কারণ সিনেমায় উঠে এসেছে কোরিয়ার নিজস্ব গল্প, যেখানে দর্শকেরা নিজেদের খুঁজে পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক বাজারেও সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সিনেমায় হেনিয়ো সম্প্রদায়কে তুলে ধরা হয়েছে। হেনিয়ো বলতে কোরিয়ার জেজু দ্বীপের নারী ডুবুরিদের বোঝানো হতো। তাঁদের কেউ কেউ পরে অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাঁরা সমুদ্র থেকে জেলেদের অপহরণ করে মাছ লুট করতেন।  তারা সমুদ্র থেকে জেলেদের অপহরণ করে মাছ লুট করতো। ৭০ দশক থেকে এই শ্রেণির মানুষেরা উপকূলে আলাদা একটি সমাজব্যবস্থা চালু করে। বর্তমানে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সেই স্মাগলার্সদের সংখ্যা কমছে। একসময় হেনিয়ো যে ঐতিহ্য চালু করেছিল, সেটা এখন মৃতপ্রায়। এখানে সেই চরিত্রগুলো নতুন করে পর্দায় তুলে আনায় ভক্তদের প্রশংসা পাচ্ছেন নারী নির্মাতা সাং উন রিউ। বেশির ভাগ দর্শকের মতে, কিম হিউসু, লি ডু গন, মিন সিগোসহ বেশির ভাগ অভিনয়শিল্পী চরিত্রের সঙ্গে মিশে গেছেন।


You might also like!