Breaking News
 
MLA Byran Biswas: বাইরনের ঘরে আগুন কী ভাবে? জল্পনার মাঝে মুখ খুললেন মেজো ভাই, দিলেন শর্ট সার্কিটের তত্ত্ব SP MP Targets Rahul Gandhi: ‘হারের ভয়েই’ রায়বরেলিতে লড়তে চাননি রাহুল? বিস্ফোরক দাবি অখিলেশের দলের সাংসদের M Nageshwar Rao: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের পর রাজনীতিতে প্রাক্তন সিবিআই প্রধান, নতুন ভূমিকায় নাগেশ্বর রাও Nagaland Woman 'Assaulted: ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের পর পাঁচতারা হোটেলে অশান্তি! নাগাল্যান্ডের দুই যুবতীর সঙ্গে শ্লীলতাহানির অভিযোগ CM Suvendu Adhikari: ‘১০ মার্চ মিথ্যা দিবস পালন করলে কেমন হয়?’ নন্দীগ্রাম থেকে মমতাকে ফের খোঁচা শুভেন্দুর Suvendu Adhikari: ‘লেনিন, মার্কস, হো চি মিন, এরা কারা?’ রাস্তার নাম বদল নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

 

Entertainment

39 minutes ago

‘দৃশ্যম ৩’-এর পরও রহস্যের নেশা কাটছে না? উইকএন্ডে দেখুন এই ৫টি টানটান থ্রিলার

5 Thrillers to Watch After Drishyam 3 for Twists and Shocking Reveals
5 Thrillers to Watch After Drishyam 3 for Twists and Shocking Reveals

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  জনপ্রিয় ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির তৃতীয় ছবি ‘দৃশ্যম: দ্য কনক্লুশন’ মুক্তির সঙ্গে এবার গল্পে পড়ল যবনিকা। ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। ফের বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে পর্দায় ফিরেছেন অজয় দেবগন। বছরের পর বছর আইনরক্ষকদের এক ধাপ পিছনে রেখে কী ভাবে নিজের পরিবারকে রক্ষা করে এসেছে এক সাধারণ মানুষ, সেই কাহিনিই এবার পৌঁছেছে শেষ অধ্যায়ে। অভিষেক পাঠক পরিচালিত এই ছবিতে অজয় দেবগনের পাশাপাশি রয়েছেন তব্বু, শ্রিয়া সরন, ইশিতা দত্ত, রজত কপূর, জয়দীপ অহলাওয়াত ও প্রকাশ রাজ। জনপ্রিয় চরিত্রগুলির প্রত্যাবর্তনের পাশাপাশি তৃতীয় ছবিকে ঘিরেও দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ। 

মোহনলাল অভিনীত মলয়ালম ‘দৃশ্যম ৩’-এর মতো একই গল্প অনুসরণ করেনি হিন্দি সংস্করণটি। আগের দু’টি ছবির গল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরিবর্তে হিন্দি ‘দৃশ্যম ৩’ তৈরি হয়েছে একটি সম্পূর্ণ নতুন মৌলিক চিত্রনাট্যের ভিত্তিতে। ফলে বিজয় এবং তাঁর পরিবারের গল্পের সমাপ্তিও একেবারে আলাদা। মুক্তির প্রথম দিনে দেশ জুড়ে ১১,৬৪৫টি স্ক্রিনে চলেছে ছবিটি। সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারতে ছবিটির মোট আয় হয়েছে ৪৬.৩৫ কোটি টাকা। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কর-সহ মোট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ৫৪.৬৯ কোটি টাকা। মুক্তি পেতেই অনেকে ‘দৃশ্যম ৩’ দেখে ফেলেছেন। এ বার সপ্তাহান্তে একই ঘরানার কিছু ছবি বাড়ি বসে ওটিটি-তে দেখার ইচ্ছা হতেই পারে। টানটান উত্তেজনায় ভরা এমন পাঁচটি থ্রিলারের নামের প্রস্তাব রইল আপনাদের জন্য।

১. ‘মহারাজা’ (২০২৪): বিজয় সেতুপতি অভিনীত ‘মহারাজা’র কেন্দ্রীয় চরিত্র এক জন শান্ত স্বভাবের নাপিত। একদিন একটি অদ্ভুত অভিযোগ নিয়ে থানায় হাজির হন তিনি। ধাতব ডাস্টবিন, যাকে তিনি ‘লক্ষ্মী’ নামে ডাকেন, সেটি চুরি হয়ে গিয়েছে— এটাই তাঁর অভিযোগ। প্রথমে বিষয়টি তুচ্ছ বলে মনে হলেও ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসে থানায় আসার আসল কারণ। আর সেখান থেকেই গল্প মোড় নেয় আরও অন্ধকার দিকে। বিভিন্ন সময়পর্বে গল্প এগোতে থাকে। ধীরে ধীরে জানা যায়, অতীতে কী ঘটেছিল এবং কেন মহারাজা প্রতিশোধ নিতে চাইছেন। পরিচালক নিথিলন সামিনাথন গল্পের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি ইচ্ছাকৃত ভাবে আড়ালে রাখেন। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গল্পের বিভিন্ন অংশ একে অপরের সঙ্গে মিলে যায়। যে বিষয়গুলি প্রথমে তুচ্ছ বলে মনে হয়, পরবর্তীকালে সেগুলিই সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে। ছবিতে বিজয় ছাড়াও রয়েছেন অনুরাগ কশ্যপ, মমতা মোহনদাস প্রমুখ। এই ছবি দেখা যাবে নেটফ্লিক্সে।

২. ‘জানে জান’ (২০২৩): কালিম্পঙের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘জানে জান’-এর গল্প মায়াকে ঘিরে। অভিনয়ে করীনা কপূর খান। মায়া একা মেয়েকে নিয়ে শান্তিতে জীবন কাটানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু হঠাৎ তাঁর অতীত ফিরে আসে। নির্যাতনকারী প্রাক্তন স্বামী আচমকাই তাঁর জীবনে ফিরে আসেন। তাঁদের মধ্যে সংঘর্ষের পর ওই ব্যক্তির মৃত্যু হলে মায়ার সামনে নতুন বিপদ— একটি মৃতদেহ লুকিয়ে নিজের জীবনকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচানো। মায়ার প্রতিবেশী নরেন (অভিনয়ে জয়দীপ অহলাওয়াত) পেশায় গণিতের শিক্ষক। শান্ত, অন্তর্মুখী নরেন আবার মায়ার প্রতি দুর্বল। সে মায়াকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। কিন্তু সত্যিটা গোপন রাখা ক্রমশ কঠিন হয়ে ওঠে, যখন মুম্বইয়ের পুলিশ আধিকারিক কর্ণ (বিজয় বর্মা) নিখোঁজ ব্যক্তির খোঁজে কালিম্পঙে পৌঁছোয়। এর পর শুরু হয় বুদ্ধির লড়াই। তদন্ত যত এগোয়, কর্ণ ধীরে ধীরে আসল ঘটনার কাছাকাছি পৌঁছোতে থাকে। অন্য দিকে নরেন চেষ্টা করে তদন্তকারীদের থেকে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে। সুজয় ঘোষ পরিচালিত এই ছবি দেখা যাবে নেটফ্লিক্সে। ‘দ্য ডিভোশন অফ সাসপেক্ট এক্স’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি ছবিটি। এই একই বই থেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছিল মূল ‘দৃশ্যম’।

৩. ‘অন্ধাধুন’ (২০১৮): আকাশ (অভিনয়ে আয়ুষ্মান খুরানা) এক জন পিয়ানোবাদক, যে অন্ধ সেজে থাকে। তার মনে হয়, অন্ধ হওয়ার ভান করলে সে আরও ভাল ভাবে সঙ্গীতের দিকে মনোযোগ দিতে পারে। কিন্তু তার এই মিথ্যার আশ্রয় তাকে বড় সমস্যায় ফেলে, যখন এক প্রাক্তন অভিনেতার বাড়িতে অনুষ্ঠান করার আমন্ত্রণ পায়। সাধারণ একটি পারফরম্যান্স হঠাৎই ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও আকাশ একটি খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সমস্যা হল, সকলেই তাকে অন্ধ বলে জানে। ফলে চারপাশে কী ঘটছে, তা দেখলেও তাকে অন্ধ সেজেই থাকতে হয়। সত্যি কথা বললে বিপদ বাড়তে পারে, আবার চুপ করে থাকলেও এমন এক পরিস্থিতিতে আটকে পড়তে হয়, যা তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এরপর একের পর এক চরিত্র গল্পে ঢুকতে থাকে এবং শুরু হয় মিথ্যা, প্রতারণা, ষড়যন্ত্র ও বেঁচে থাকার লড়াই। আকাশকে প্রতিনিয়ত বুঝতে হয়, কাকে আদৌ বিশ্বাস করা যায়। শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত ‘অন্ধাধুন’-এ হাস্যরসের সঙ্গে মিশেছে রহস্য। ছবিতে তব্বু, রাধিকা আপ্টে, অনিল ধবন-সহ অনেকেই অভিনয় করেছেন। ছবিটি জিয়ো হটস্টারে রয়েছে।

৪. ‘কহানী’ (২০১২): লন্ডন থেকে কলকাতায় আসে বিদ্যা বাগচি (অভিনয়ে বিদ্যা বালন)। অন্তঃসত্ত্বা বিদ্যা এসেছে নিখোঁজ স্বামীর সন্ধানে। স্বামীর সম্পর্কে তার কাছে খুব বেশি তথ্য নেই। যতই সে খোঁজ করতে থাকে, ততই রহস্য ঘনীভূত হতে থাকে। এমনকি, আদৌ তার স্বামীর কোনও অস্তিত্ব আছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। সত্যের খোঁজে বিদ্যাকে সাহায্য করে এক স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক। অন্য দিকে এক বিপজ্জনক গোয়েন্দা আধিকারিকও এই মামলায় আগ্রহী হয়ে ওঠেন। কলকাতার দুর্গাপুজোর আবহে তৈরি ছবিটিতে শহরের ভিড়, উৎসবের পরিবেশ এবং রাস্তাঘাটের বিশৃঙ্খলাকে রহস্য ও উত্তেজনা বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিদ্যা যত সত্যের কাছে এগিয়ে যায়, কলকাতাও যেন ধীরে ধীরে গল্পের একটি চরিত্র হয়ে ওঠে। সুজয় ঘোষ পরিচালিত এই ছবিতে রয়েছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, নওয়াজ়উদ্দীন সিদ্দীকী, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকেই। ছবিটি ‘প্রাইম ভিডিয়ো’-য় দেখা যেতে পারে।

৫. ‘পোড় তোজ়িল’ (২০২৩): তরুণ পুলিশ আধিকারিক প্রকাশ (অভিনয়ে অশোক সেলভান)-এর সামনে তাঁর কর্মজীবনের শুরুতেই এসে পড়ে একটি বড়সড় মামলা। একের পর এক তরুণী খুন হচ্ছে। সেই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে প্রকাশকে জুটি বাঁধতে হয় অভিজ্ঞ কিন্তু কঠোর স্বভাবের পুলিশ অফিসার লোগানাতনের (অভিনয়ে আর. শরৎকুমার) সঙ্গে। দু’জনের ব্যক্তিত্ব সম্পূর্ণ আলাদা হলেও খুনির ধরন বুঝতে এবং পরবর্তী হত্যাকাণ্ড আটকাতে তাঁদের নিজেদের মতপার্থক্য সরিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। বিগ্নেশ রাজা পরিচালিত এই ছবিতে অ্যাকশনের পরিবর্তে তদন্তকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সূত্র, আচরণগত ধরন এবং খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ আধিকারিকেরা খুনির কাছে পৌঁছোনোর চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে অনভিজ্ঞ প্রকাশ এবং কঠোর ও অভিজ্ঞ লোগানাতনের মধ্যে গড়ে ওঠা পেশাগত সম্পর্কও গল্পে আলাদা মাত্রা যোগ করে। ছবিতে নিখিলা বিমলও অভিনয় করেছেন। এটি দেখা যাচ্ছে সোনি লিভ-এ।

You might also like!