Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

Entertainment

3 years ago

Srijato Bandopadhyay: শ্রীজাতই নাকি রবীন্দ্র সঙ্গীতের স্রষ্টা! 'ট্র্যাজেডি অফ এরর' নিয়ে মুখ খুললেন কবি

Srijato Bondopadhyay (File Picture)
Srijato Bondopadhyay (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  সোশ্যাল মিডিয়ায় যেকোনো বিষয়ই ঘটা সম্ভব। আর গতকালের রবীন্দ্র জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টগুলি কিছুটা তারই প্রমাণ। রবীন্দ্র সঙ্গীত নাকি নিজে লিখেছেন শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়? আবার সেই সংক্রান্ত একটি পোস্টও করেছেন কবি নিজে। শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের সুর সমারোহে এসো হে পরমতর সুন্দর এসো হে গানটি নিয়ে একটি পোস্ট হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, কথা ও সুর উভয় জায়গাতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লেখা হয়েছে। তাই পোস্টটি তুলে ধরে সৃজিত লিখেছেন, “এটা দেখার পর শ্রীজাত নিশ্চয়ই এক্সট্রা ডিম্যান্ড করবে এবার থেকে।” পাশাপাশি সুরকার ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তকে ট্যাগ করে তিনি লেখেন, “প্লিজ একটা পার্টির ব্যবস্থা করো তাড়াতাড়ি।”


সৃজিতের পোস্টে শ্রীজাত লিখেছেন, “তুমি তো কদর করলে না, মহাকাল করল”। উত্তরে সৃজিত বলেছেন, “এবার একটা দাঁড়ি রাখার ওপর ফোকাশ করো। আর একটু পরচুল।” এ নিয়ে নানা হাসি মজা চলতেই থাকে। খানিক পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়ে একটি পোস্ট করেন শ্রীজাত। শিরোনামে লেখেন, “আমার লেখা রবীন্দ্রসংগীত।” তিনি লেখেন, “এখন কথা হচ্ছে, এই পঁচিশে বৈশাখের গরম বাজারে আমার লেখা একখানা গান রবীন্দ্রনাথের নামে ঘুরছে। সে ভাল। আত্মবিশ্বাস আমার চিরকালই ছিল, জীবনে বড় রকমের কিছু করব, তবে এত তাড়াতাড়ি সেটা ঘটবে ভাবিনি। রবীন্দ্রনাথের মতো গান লিখতে কে না চায়, আমিও চেয়েছি। এমনকী এক চাকরির ইন্টারভিউতে ‘জীবনে কী করতে চান?’ প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলাম, ‘রবীন্দ্রনাথের মতো গান লিখতে। সে-চাকরি আমার হয়নি, বলাই বাহুল্য। তবে রবীন্দ্রনাথের মতো গান অ্যাদ্দিনে লিখতে পেরেছি।” শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই থেমে নেই বিষয়টা।


শহরের এক নামজাদা স্কুলে আমার লেখা এবং ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের সুরারোপিত ‘সমারোহে এসো হে পরমতর’ গানটি এদিন রবীন্দ্রসংগীতের মর্যাদাও পেয়েছে। এবং গানটি পরিবেশিতও হয়েছে। সঙ্গে রবীন্দ্রনৃত্য। এ প্রসঙ্গে শ্রীজাত লেখেন, “এই গানটি আমরা তৈরি করেছিলাম আমাদের বন্ধু সৃজিতের একটি ছবির জন্য, যার নাম ছিল ‘এক যে ছিল রাজা’। সে গানের ব্রিফ ছিল এইরকম, বিংশ শতকের গোড়ার দিকের পটভূমি, সে-সময়ে রবীন্দ্রনাথ জোরকদমে গান বাঁধছেন, সেসব গান মুখে মুখে ফিরছে। তেমনই এক সময়ে যদি আর কেউ বাংলা গান বাঁধতেন, তবে যেমন শোনাতে পারত, তেমনই যেন শোনায়। সেই মাফিক আমি আর ইন্দ্রদীপ বানিয়েছিলাম এই গান, প্রথম পেশকারেই যা পাস হয়েছিল। তখনও ভাবিনি, কালে কালে এই গান ক্রমে ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত’ হয়ে উঠবে।” শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই থেমে নেই বিষয়টা। শহরের এক নামজাদা স্কুলে আমার লেখা এবং ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের সুরারোপিত ‘সমারোহে এসো হে পরমতর’ গানটি এদিন রবীন্দ্রসংগীতের মর্যাদাও পেয়েছে। এবং গানটি পরিবেশিতও হয়েছে। সঙ্গে রবীন্দ্রনৃত্য। এ প্রসঙ্গে শ্রীজাত লেখেন, “এই গানটি আমরা তৈরি করেছিলাম আমাদের বন্ধু সৃজিতের একটি ছবির জন্য, যার নাম ছিল ‘এক যে ছিল রাজা’। সে গানের ব্রিফ ছিল এইরকম, বিংশ শতকের গোড়ার দিকের পটভূমি, সে-সময়ে রবীন্দ্রনাথ জোরকদমে গান বাঁধছেন, সেসব গান মুখে মুখে ফিরছে। তেমনই এক সময়ে যদি আর কেউ বাংলা গান বাঁধতেন, তবে যেমন শোনাতে পারত, তেমনই যেন শোনায়। সেই মাফিক আমি আর ইন্দ্রদীপ বানিয়েছিলাম এই গান, প্রথম পেশকারেই যা পাস হয়েছিল। তখনও ভাবিনি, কালে কালে এই গান ক্রমে ‘রবীন্দ্রসঙ্গীত’ হয়ে উঠবে।”

You might also like!