
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: টলিউডে খলনায়িকা হিসেবে পরিচিত হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যাশন আইকন হিসেবেও জনপ্রিয় মানসী সেনগুপ্ত। তবে তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চর্চার শেষ নেই। সম্প্রতি ছেলের প্রথম জন্মদিন উপলক্ষে একটি আবেগঘন পোস্ট করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন এই অভিনেত্রী।
ছেলের জন্মদিনে মানসী লিখেছেন, ‘জীবনের প্রতিটি প্রথম বিশেষ, কিন্তু তুমি আমাকে বুঝিয়েছ যে প্রতিটি শেষও বিশেষ—কারণ তুমি আমার শেষ ভালোবাসা। তোমার প্রথম জন্মদিনে আমি তোমাকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমি সারাজীবন তোমার নায়ক হয়ে থাকব। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, তোমার মা সবসময় তোমার জন্য মা ও বাবা—দুই-ই হবে। আর সবসময় জগন্নাথের উপর বিশ্বাস রাখবে। কোনো চিন্তা নেই, তোমার মা সবসময় তোমার পাশে আছে।’ পোস্টে ছেলের কেক কাটার মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন তিনি, যেখানে তাঁর মেয়েকেও দেখা যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, ছেলের ক্ষেত্রে নিজের পদবি ব্যবহার করেছেন মানসী, যদিও মেয়ের পদবি বাবার নামেই রয়েছে—এই বিষয়টিও নেটমাধ্যমে নানা প্রশ্ন তুলেছে।

এর আগেও অভিনেত্রীর দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। কখনও বিচ্ছেদের খবর, আবার কখনও সম্পর্ক ঠিক হয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন যেন রহস্যে মোড়া। যদিও এসব নিয়ে প্রকাশ্যে খুব একটা কথা বলেন না মানসী। একটি পডকাস্টে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু শেয়ার করার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই তাঁর। ট্রোল বা সমালোচনার ভয়েই তিনি স্বামীর সঙ্গে ছবি বা ভিডিও পোস্ট করেন না বলেও জানান। তাঁর মতে, ‘আমার যদি আমার বরের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপও হয়, সেটা আমার নিজস্ব ব্যাপার। আমার যদি নে হয় আমি পাবলিক করব, সেটা আমার যখন মনে হবে তখন করব। যে আমি একসঙ্গে থাকছি না! অনেকে আমাকে বলে, তুমি কেন ওর বাবার সঙ্গে ছবি দিচ্ছ না! কেন দেব? যারা আমাকে বাজে কথা বলছে তাদের কেন এত গুরুত্ব দেব আমি?’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্পর্ক যেমনই হোক, আমি তো কাওকে বাধ্য করতে পারি না আমার সঙ্গে ফোটো বা ভিডিয়োতে আসার জন্য। সে আমার পার্টনার, আমার চাকর নয়। সে যদি ক্যামেরা দেখলে লজ্জা পায়, সে যদি ভিডিয়োতে আসতে না চায়, আমি তাঁকে কখনো জোর করতে পারি না। আমি আমার মেয়েকেও অনুমতি ছাড়া ভিডিয়োতে নেই না।’ সব মিলিয়ে, ছেলের জন্মদিনের এই আবেগঘন পোস্ট আবারও মানসীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জল্পনাকে নতুন করে উস্কে দিল। যদিও সত্যিই কী ঘটছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
