
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যের ১৪২ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পর্ব। সকাল থেকেই বুথে বুথে ঘুরছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সূত্রের খবর, নির্বাচনের খুঁটিনাটি তথ্য জানতে সকালেই শুভেন্দুকে ফোন করেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিশেষ করে ফলতার পরিস্থিতির কথা জানতে চান তিনি।
দ্বিতীয় দফার ভোটের (Bengal 2nd Phase Election 2026) দিন সকাল থেকে অ্যাকশন মোডে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। উত্তরপ্রদেশের এই অফিসার ‘সিংঘম’ নামেই পরিচিত। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এদিন সকাল থেকে তাঁর কনভয় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরছে। সঙ্গে রয়েছে সাঁজোয়া গাড়ি ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এরমধ্যেই বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর সামনে আসে। ফলতা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতা বিধানসভার দেবীপুরের ১৭৭ নম্বর বুথে ইভিএমে বিজেপির প্রতীকের উপরে এই টেপ সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেবাংশু পান্ডার দাবি, ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে। মোট পাঁচটি বুথে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। লাঠিচার্জের ঘটনাও ঘটেছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। ফলতা কাণ্ডের জল গড়িয়েছে দিল্লি পর্যন্ত। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ফলতা কাণ্ড নিয়ে সিইও মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে কথা বলেছেন খোদ শাহ।
উল্লেখ্য, একুশেও বাংলা দখলের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। ২০০ পার করবেন বলে দাবি করেছিলে অমিত শাহ। কিন্তু শেষে দেখা গিয়েছিল হুঙ্কারই সার। ৮০-গণ্ডিও পেরতে পারেনি পদ্মশিবির। তবে ছাব্বিশে বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি। তৃণমূলকে একবিন্দু জমি ছাড়তেও রাজি নয় বিজেপি। ফলে কার্যত ‘ডেইলি প্যাসেঞ্জারি’ করেছেন মোদি-শাহ। একদিনে তিন থেকে চারটি করে সভা করেছেন তাঁরা। পৌঁছে গিয়েছেন বাংলার প্রতিটা কোণায়। টানা তিনদিন থেকে ২৭ তারিখ দিল্লি ফিরেছেন শাহ। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই তাঁর নজরে বাংলার ভোট। দিল্লিতে বসেই প্রতিমুহূর্তের খবর রাখছেন তিনি।
