Country

2 years ago

Himachal Pradesh Crisis:হিমাচলের ছ’জন বিদ্রোহী বিধায়কের পদ খারিজ,ফের সক্রিয় স্পিকার

Dismissal of posts of six rebel MLAs
Dismissal of posts of six rebel MLAs

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃহিমাচল প্রদেশের বিদ্রোহী ছ’জন কংগ্রেস বিধায়কের পদ খারিজ করলেন স্পিকার কুলদীপ সিংহ পঠানিয়া। দলীয় হুইপ অমান্য করে বুধবার রাজ্য বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংহ সুখুর সরকারের বাজেট প্রস্তাব সংক্রান্ত অর্থবিলের পক্ষে ভোট না-দেওয়ার কারণেই ‘দলত্যাগ বিরোধী আইনে’ এই পদক্ষেপ বলে স্পিকারের দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।

ওই বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১৯৮৬ সালে রাজীব গান্ধীর সরকার ওই আইন চালু করেছিল। হিমাচলের কংগ্রেস স্পিকার পঠনিয়া বুধবার ১৫ জন বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করেন। ওই তালিকায় বিজেপির বিরোধী দলনেতাও আছেন।

স্পিকারের সঙ্গে অসংসদীয় আচরণ এবং মার্শালের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয় বিরোধী বিধায়কদের। এরপর বিনা বিরোধিতায় বাজেট পাশ হওয়ার পর বিধানসভার অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেন স্পিকার। ফলে দল ভাঙিয়ে বিজেপির সরকার গড়ায় প্রচেষ্টায় সাময়িক লাগাম পড়ে।

পঠনিয়া জানান, পরিষদীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধন চৌহ্বান ছয় দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানিয়েছিলেন। ওই বিধায়কেরা দলীয় হুইপ অস্বীকার করে রাজ্যসভার ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দেন বলে অভিযোগ। 

স্পিকারের নির্দেশের ফলে এখন বিধানসভায় বিজেপির ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারেন এমন বিধায়কের সংখ্যা কমে হয়েছে দশ। আর কংগ্রেসের সদস্য সংখ্যা কমে হল ৩৪।

বুধবার বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পর থেকেই ওই ছয় কংগ্রেস বিধায়ক বেপাত্তা। তাঁরা কোথায় সে ব্যাপারে দল অন্ধকারে। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, তাঁদের সদস্যপদ খারিজের সুপারিশ করার আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাড়ি, এমএলএ হস্টেলে তাঁদের পাওয়া যায়নি। 

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ এখনও মনে করছে না হিমাচলের কংগ্রেস সরকারের বিপদ কেটে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর উপর অনেকেরই আস্থা নেই। বুধবারই বিদ্রোহী বিধায়কদের মুখ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিংয়ের পুত্র বিক্রমাদিত্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। রাতে বিক্রমাদিত্যের সঙ্গে কথা হয় হাইকমান্ডের দূত কর্নাটকের উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের। সেই বৈঠকের পর বিদ্রোহে আপাতত ইতি টানেন বিক্রমাদিত্য। 

যদিও তাঁর মা তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রতিভা সিং'কে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে আগ্রহী অধিকাংশ বিধায়ক। বিদ্রোহী বিধায়কদের চাপে মুখ্যমন্ত্রী বদল করা হলে তাতে রাহুল, প্রিয়ঙ্কাদের অসম্মান করা হয়। সুখুকে মুখ্যমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গান্ধী পরিবারের ভাই-বোনেরা। তাই বাকি বিধায়কদের চাপে রাখতে ছয় জনের সদস্যপদ বাতিল করা হল। বুধবার রাতেও মুখ্যমন্ত্রী সুখু সন্ধির বার্তা দিয়ে বলেছিলেন, ওই ছয় বিধায়ক এখনও আমাদের পরিবারের সদস্য।


You might also like!