
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: এই প্রথম প্রকাশ্যে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র পাশে দাঁড়ালেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। সিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তারির তীব্র সমালোচনা করে তাঁদের সমর্থনে সরব হয়েছেন তিনি। রাহুলের বক্তব্য, “শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সময় যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা পতাকা ওড়ানো কোনও অপরাধ নয়। এর জন্য তরুণদের কারারুদ্ধ করা কাপুরুষোচিত কাজ।” এতদিন প্রতিবাদের বিষয়বস্তুতে মিল থাকলেও সিজেপি বা ‘ককরোচ’দের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল কংগ্রেস। কিন্তু এবার সেই অবস্থান থেকে সরে এসে প্রকাশ্যেই সমর্থন জানালেন রাহুল। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সিজেপির পাশে দাঁড়ানোর পিছনে কি কোনও নতুন রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে হাত শিবিরের?
নিষেধাজ্ঞা অস্বীকার করে মঙ্গলবার ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন দুই ‘ককরোচ’ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। এরপরই দিল্লি পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাঁদের ঠাঁই হয়েছে তিহাড় জেলে। দুই নেতাকেই ৫ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এরই প্রতিবাদে বুধবার সরব হন রাহুল। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘বিভিন্ন সুশীল সমাজ গোষ্ঠী, শিক্ষার্থী এবং ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলনগুলি আসলে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারের আড়ালে একটিই আন্দোলন। শিক্ষার্থী, তরুণসমাজ, সাংবাদিক এবং ইন্ডিয়া জোট – ব্যানার ভিন্ন হলেও লক্ষ্য এক। আন্দোলনে কোনও বিভেদ নেই। নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারের দাবিতেই আমাদের আন্দোলন।’
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করছে ঠিকই, কিন্তু জোটে থাকা প্রত্যেক দলেরই নিজ নিজ রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। যেমন উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি কখনই কংগ্রেসকে রাজনৈতিক জমি ছেড়ে দেবে না। তেমনই অন্য রাজ্যগুলিতেও বিরোধী দলগুলির মধ্যে টানাপোড়েন নতুন নয়। তাই মুখে মুখে মোদি-বিরোধী স্লোগান দিলেও কার্যক্ষেত্রে বিরোধীরা ছন্নাছাড়া। ২০২৭ সালের লোকসভা নির্বাচনে অনেকে মনে করেছিল মোদির বিরুদ্ধে মুখ হয়ে উঠতে পারেন রাহুল। কিন্তু কংগ্রেস সাংসদ নিজেকে সেই কেন্দ্রবিন্দুতে প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য পাওয়া। আপাতত পাওয়া তথ্যই আপনাদের জানানো হল। বিস্তারিত তথ্য ও আপডেট খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। সঠিক ও যাচাই করা খবর পৌঁছে দিতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। অনুগ্রহ করে কিছুক্ষণ পর পেজটি রিফ্রেশ করুন। ]
