
নয়াদিল্লি, ১৪ অক্টোবর : দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। দলের আর এক সদস্য অজিঙ্ক্য শিন্দেকে আগামী ছ’মাস শান্তি বজায় রাখা ও সদাচরণের শর্তে মুচলেকা দিতে হয়েছে। বুধবার দিল্লি পুলিশ এ কথা জানিয়েছে।
পুলিশের দাবি, ১৩ অক্টোবর সকালে সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক্য শিন্দে-সহ দলের মোট ১৪ জন সদস্য যন্তর মন্তরে পৌঁছন। ওই এলাকায় বিক্ষোভ দেখানোর অনুমতি ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযোগ, তাঁরা একটি ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভিতর দিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন। পুলিশকর্মীরা তাঁদের আটকানোর চেষ্টা করলে তাঁরা সরকারি কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ১৪ জনকে আটক করে দুটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। কনট প্লেস থানায় ২৮৯/২৬ নম্বর এবং সংসদ মার্গ থানায় ১২৮/২৬ নম্বর মামলা রুজু করা হয়। পরে আইন মেনে সংশ্লিষ্ট মামলায় তাঁদের মুচলেকা দিতে বলা হয়।
পুলিশের আরও অভিযোগ, বারবার আইন ভেঙে জনশান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করেছেন ওই সদস্যেরা। পাশাপাশি, সামাজিক মাধ্যমে অন্যদেরও একই ধরনের কাজে উৎসাহিত করার অভিযোগ উঠেছে। এই কারণেই সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক্য শিন্দের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তিনজনকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারায় প্রক্রিয়া শুরু হয়।
পুলিশের বক্তব্য, জামিনে মুক্তি পেলে তাঁরা ফের আইন ভাঙতে পারেন এবং অন্যদেরও তাতে প্ররোচিত করতে পারেন এমন আশঙ্কার কথা বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেট সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যদিকে, অজিঙ্ক্য শিন্দেকে ছ’মাস শান্তি ও সদাচরণ বজায় রাখার শর্তে ব্যক্তিগত মুচলেকা এবং পাঁচ হাজার টাকার জামিনদারের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
