
নয়াদিল্লি, ২২ অক্টোবর : তিহার জেল থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের আইনি জটিলতায় জড়ালেন সিজেপি নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। যন্তর মন্তরে অনুমতিহীন কর্মসূচি ও সরকারি নির্দেশ অমান্য সংক্রান্ত মামলায় বৃহস্পতিবার তাঁদের দু’জনকে দিল্লির ক্রাইম ব্রাঞ্চের সদর দফতরে তদন্তে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের অপর নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকেও তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে নোটিস পাঠানো হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর, বুধবার তিহার জেল থেকে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার মুক্তির পরপরই তাঁদের কাছে ক্রাইম ব্রাঞ্চের নোটিস পাঠানো হয়। গত ১৩ অক্টোবর সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যন্তর মন্তর চত্বরে পৌঁছনোর অভিযোগ ওঠে এই নেতাদের বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভের জন্য চিহ্নিত স্থান বাতিল ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও সরকারি নির্দেশ অমান্য করা হয়েছিল। এছাড়া যন্তর মন্তরে পৌঁছনোর উদ্দেশ্যে এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তির প্রাচীর টপকে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা রুজু হয়।
সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশের তরফে আগেই দুটি পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত দুটি মামলারই তদন্তভার ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের বক্তব্য, সেদিনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্যের মূল কারণ জানতে এই তিন নেতাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। উল্লেখ্য, শান্তিভঙ্গের আশঙ্কায় জারি হওয়া প্রিভেন্টিভ মামলায় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার পর বুধবারই বিশেষ এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে শর্তসাপেক্ষে তিহার জেল থেকে মুক্তি পান সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। কিন্তু জেল থেকে বেরোতে না বেরোতেই ক্রাইম ব্রাঞ্চের সমন আসায় তাঁদের অস্বস্তি আরও বাড়ল।
