Breaking News
 
Jitendra Tiwari: পাণ্ডবেশ্বরে বিনিয়োগের ঢল? প্রথম দিনেই ১ হাজার কোটি, ‘কর্মসংস্থান বাড়বে’, দাবি বিধায়কের Calcutta High Court Former Judge: বেহাল রাস্তার জেরে নিত্য যাতায়াতে সমস্যা, ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি UP Rajya Sabha Polls: রিলায়েন্সের শীর্ষকর্তাকেই প্রার্থী! রাজ্যসভা ভোটে অখিলেশের বড় চমক, উত্তরপ্রদেশে নতুন সমীকরণ TMC Faction's Plea Dismissed: ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের, ৪ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজই, বহাল হাই কোর্টের নির্দেশ Dilip Ghosh: ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করলে ফল পেতেই হবে’, অনুব্রতকে ঘিরে মন্তব্য দিলীপের PM Modi Hails Pilot: ‘৯/১১-র কায়দায় হামলা রুখেছে ভারতীয়’, বীর পাইলট স্মিত মচ্ছারের প্রশংসায় মোদি

 

Country

2 months ago

Sonam Wangchuk: সংসদে যেতে বাধা, পুলিশের কাঁদানে গ্যাস! অভিযানে যোগ দিতে চেয়ে চিঠি সোনম ওয়াংচুকের

Sonam Wangchuk on his hunger strike
Sonam Wangchuk on his hunger strike

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে সংসদের দিকে মিছিল করে এগোতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অগ্রগতি আটকে দিতে দিল্লি পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংসদ ভবনের সব প্রবেশদ্বারও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেই কারণেই নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। 

সংসদ ভবনের প্রবেশের গেটের প্রায় কাছাকাছি CJP-র আন্দোলনকারীরা। বিজয় চক থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে সংসদ ভবনের এই গেট। জলকামান, ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে সংসদ ভবন চত্বর। এই মুহূর্তে সংসদে ভবনের ভিতরে প্রধানমন্ত্রী-সহ সমস্ত ক্যাবিনেট মন্ত্রী উপস্থিত। বিরোধী দলনেতা-সহ অন্যান্য দলের সাংসদরা উপস্থিত রয়েছেন। বিজয় চকের মুখোমুখি সংসদ ভবনের এই লোহার গেটের ডানদিকে রাইসিনা হিলস অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি ভবন। এ ছাড়াও রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য মন্ত্রকের দপ্তর। একমাত্র সংবাদ মাধ্যম এবং নিরাপত্তারক্ষীরা সংসদ চলাকালীন এই বিজয় চক পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি পান। তার আগেই বিক্ষোভকারীদের রুখতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় দিল্লি পুলিশ। ব্যারিকেডও করে দেওয়া হয়। ব্যারিকেডে বাধা পেয়ে সেখানেই অবস্থান আন্দোলন শুরু করেছেন ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া বিক্ষোভকারীরা। 

অন্যদিকে, দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও আন্দোলন থেকে সরে আসতে নারাজ পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। সোমবার হাসপাতাল থেকেই তিনি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিন্টেনডেন্ট এবং সরকারের উদ্দেশে একটি চিঠি লিখে জানান, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি সুস্থ বোধ করছেন। তাই তাঁকে সাময়িকভাবে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিয়ে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। চিঠিতে ওয়াংচুক লেখেন, ‘আমি এখন নিজেকে খুব ভালো অনুভব করছি। আমার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তাই আমাকে কয়েক ঘণ্টার জন্য হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। এর পরে আমি আবার হাসপাতালে ফিরে আসব।’ ওয়াংচুক অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর থেকে তাঁর চলাফেরা, বক্তব্য রাখা এবং যোগাযোগের স্বাধীনতা সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে প্রস্তুত, তবে তাঁকে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত। 

হাসপাতাল থেকে পাঠানো বার্তায় ওয়াংচুক জানান, নির্দিষ্ট কয়েকটি শর্ত পূরণ হলে তিনি দীর্ঘদিনের অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি। তাঁর প্রধান দাবি, শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতা এবং NEET-সহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে। এ ছাড়া সংসদের চলতি অধিবেশনে এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করারও দাবি জানান তিনি। সমাজকর্মীর দেওয়া অন্য শর্ত হলো, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও প্রতিনিধিকে হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে দেখা করে বিক্ষোভকারীদের শর্ত পূরণের আশ্বাস দিতে হবে। অন্যদিকে, এ দিন সকালেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ওয়াংচুকের অনুরোধে অনশন প্রত্যাহার করেন। সোমবার ছিল তাঁর অনশনের তৃতীয় দিন। সোনম ওয়াংচুক বর্তমানে ছাত্র-যুবদের নেতৃত্বে চলা CJP-র ‘চলো সংসদ’ আন্দোলনের অন্যতম মুখ। হাসপাতাল থেকেই তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়ে এই আন্দোলনে শান্তিপূর্ণভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘এটি ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের মতো একটি লড়াই, যার লক্ষ্য জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।’ সফদরজং হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল হলেও তিনি এখনও চিকিৎসাধীন। দীর্ঘদিনের অনশনের কারণে তাঁর শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশেষ চিকিৎসা চলছে এবং চিকিৎসকদের একটি দল ২৪ ঘণ্টা তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছে। এ দিন সকালে তাঁকে সফদরজং হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরের অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি অ্যাংমো। 

You might also like!