West Bengal

50 minutes ago

Takda cantonment hospital: প্রবল বৃষ্টিতে দার্জিলিঙে বিপর্যয়, পাহাড় ভেঙে পাথর ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত তাকদহ হাসপাতাল

A section of the hospital has suddenly collapsed
A section of the hospital has suddenly collapsed

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  প্রবল বর্ষণের জেরে দার্জিলিং পাহাড়ে ফের ভূমিধসের আতঙ্ক। শুক্রবার ভোররাতে তাকদহ ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতাল চত্বরে আচমকাই ধস নামে। পাহাড়ের মাটি ও বড় বড় পাথর গড়িয়ে এসে হাসপাতালের একটি অংশে আঘাত হানে। পাথরের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাসপাতালের একাংশ। সেই সময় রোগী-সহ মোট ছ’জন সেখানে আটকে পড়েন। ধসের খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে এক কেয়ারটেকার চাপা পড়েছিলেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। পরে গুরুতর অবস্থায় তাঁকে চিকিৎসার জন্য দার্জিলিং জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বাকি পাঁচজনকেও নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হাসপাতালের সমস্ত রোগীকে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য দার্জিলিং জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। 

তাকদহ হাসপাতালের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। তিনি জানান, পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হয়েছে। তাকদহ গ্রামীণ হাসপাতাল রঙলি রঙলিওট ব্লকের হাজার হাজার পরিবারের একমাত্র স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্র। হাসপাতালের ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সাংসদ আশ্বস্ত করেন, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে। অন্যদিকে, পাহাড়ের দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৩৬ মিলিমিটার। ভারী বৃষ্টির ধাক্কায় শুক্রবার ভোররাতে দার্জিলিং পাহাড়ের একাধিক জায়গায় ভূমিধসের খবর মিলেছে। লেবং কার্ট রোডে ধস নামে। সিভিল ডিফেন্স এবং সদর ট্রাফিক পুলিশ দ্রুত রাস্তা পরিষ্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। কার্শিয়াং ব্লকের বাগওড়া-কালিঝোরা রোডের ৭২ ধুরা এলাকা ভূমিধসে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাম্বি ঝোড়া ও লাবারবোটে এলাকাতেও ছোটখাটো একাধিক ধসের খবর পাওয়া মিলেছে। পাহাড়ের পাশাপাশি সমতলেও নদীগুলো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। তিস্তা নদীর জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে। শিলিগুড়ির কাছে বালাসন নদীর জলস্তর বেড়ে দুধিয়ায় ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য তৈরি বিকল্প হিউম পাইপের সেতুটি এদিন সকালে প্রবল স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিলিগুড়ি ও সিকিমের মধ্যে ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

You might also like!