Breaking News
 
Piyush Kanoria argument: তোলাবাজি-সিন্ডিকেট নিয়ে বিজেপির সভায় তুমুল উত্তাপ! শারদ্বতকে আঙুল তুলে প্রশ্ন পীযূষের Attack on Mamata TMC workers: মুকুন্দপুরে তৃণমূল কর্মীদের পাশে কংগ্রেস! ‘বর্বরোচিত’ হামলার প্রতিবাদ, জোটের সমীকরণে নতুন মোড়? CM Suvendu Adhikari: লাখ লাখ ফেনসিডিল গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার! ইকোপার্ক থেকে নিষিদ্ধ কাফসিরাপ ব্যবসায় কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Election Commission: দ্রুত নিষ্পত্তিতে কমিশনের নয়া উদ্যোগ! ২১টি ট্রাইব্যুনাল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, ডিজিটাল শুনানিতে জোর Annapurna Yojana: দু’টি প্রকল্পের টাকা একসঙ্গে নয়! অন্নপূর্ণা-বিধবাভাতা নিয়ে নয়া নিয়ম, নির্দেশিকা জারি CM Suvendu Adhikari : ২০ কোটি ব্যয়ে মূর্তি নদীর উপর সেতু,পুজোর আগেই বন্ধ চা বাগান খোলার উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর

 

kolkata

51 minutes ago

Election Commission: দ্রুত নিষ্পত্তিতে কমিশনের নয়া উদ্যোগ! ২১টি ট্রাইব্যুনাল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, ডিজিটাল শুনানিতে জোর

Election Commission plans to increase SIR tribunals in WB
Election Commission plans to increase SIR tribunals in WB

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই আরও ২১টি ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে নাম সংযোজন সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোই নয়, শুনানি দ্রুত শেষ করতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ারও উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা যাতে প্রযুক্তিগত সুবিধা ব্যবহার করে মামলাগুলির শুনানি ও নিষ্পত্তির কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে একটি নতুন সফটওয়্যারও আনা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। 

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে রাজ্যে বিতর্ক অব্যাহত। যেভাবে ট্রাইবুনালের কাজ এগোচ্ছে তাতে শুনানি শেষ করে সকলের নাম ভোটার তালিকায় তুলতে কমপক্ষে ১২ বছর লাগবে বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জানানোর পাশাপাশি ট্রাইবুনালের কাজ শেষ করতে নড়েচড়ে বসল কমিশন। রাজ্যে থাকা ১৯টি ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন ট্রাইবুনালের সংখ্যা বাড়িয়ে সরাসরি ৪২-এ নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিতে সব রকমের প্রস্তুতি শুরু করল কমিশন। অর্থাৎ, প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য একটি করে ট্রাইবুনাল গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু ট্রাইবুনালের সংখ্যা বাড়িয়েই থেমে থাকছে না কমিশন। বিচার প্রক্রিয়াকে প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য আনা হচ্ছে ‘লোকেশন-অ্যাগনস্টিক’ সফটওয়ার। এই সফটওয়ারের সাহায্যে ট্রাইবুনালের বিচারপতিরা নির্দিষ্ট ভবনে উপস্থিত না থেকেও যে কোনও স্থান থেকে শুনানি করতে পারবেন। সেই সঙ্গে নথি পরীক্ষা করতে পারবেন এবং আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দিতে পারবেন। অর্থাৎ, ট্রাইবুনালের কাজ আর চার দেওয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তা চলে যাবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। 

কমিশনের এক কর্তার দাবি, এই ব্যবস্থার ফলে শুধু সময়ই বাঁচবে না, দ্রুত সিদ্ধান্তও সম্ভব হবে। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে একের পর এক আবেদন, আপত্তি এবং আইনি লড়াইয়ের জেরে কার্যত হিমশিম অবস্থা কমিশনের। এই পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপের পথে কমিশন। তবে ভোটার তালিকার মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়ে ভারচুয়াল শুনানি এবং নয়া প্রযুক্তি এবার ‘লোকেশন-অ্যাগনস্টিক’ সফটওয়‍্যারের সাহায্যে ট্রাইবুনালের বিচারপতিরা নির্দিষ্ট ভবনে উপস্থিত না থেকেও যে কোনও স্থান থেকে শুনানি করতে পারবেন। প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত কতটা নির্ভুল ও স্বচ্ছ হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে। কারণ, ভোটার তালিকা শুধু একটি প্রশাসনিক নথি নয়; সেটিই গণতন্ত্রের ভিত্তি। সেই তালিকায় নাম থাকা বা বাদ পড়ার প্রশ্ন সরাসরি ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করে। ফলে ট্রাইবুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর নিষ্পত্তির প্রস্তাবকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, সেটাই এখন সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।  

You might also like!