
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী। এই বিশেষ দিনে গোপালের পুজোয় ভোগের তালিকায় দুগ্ধজাত খাবারের গুরুত্ব বরাবরই বেশি। দুধ, দই দিয়ে তৈরি ক্ষীর, ননী, মাখন, পায়েস থেকে শুরু করে নানা পদ সাজানো হয় গোপালের সামনে। পাশাপাশি ঘরে ঘরে তৈরি হয় তালের বড়া, তালক্ষীর, তালের মালপোয়া, তালের লুচির মতো বিভিন্ন মিষ্টান্ন। তবে এসবের মধ্যে এমন একটি প্রসাদ রয়েছে, যা ছাড়া গোপালের পুজো যেন অসম্পূর্ণ—তা হল মাখন-মিছরি।
জন্মাষ্টমীতে যাঁরা বাড়িতে গোপালের পুজোর আয়োজন করেন, তাঁরা অনেকেই ছোট্ট মাটির হাঁড়ি বা মটকায় মাখন-মিছরি সাজিয়ে ভোগ নিবেদন করেন। এই প্রসাদটি তৈরি করাও খুব একটা কঠিন নয়। এক সময় বাড়ির গৃহিণীরা প্রাচীন রীতি মেনে দুধ মন্থন করে নিজেরাই মাখন তৈরি করতেন। সেই ঐতিহ্য এখনও চাইলে ঘরে ফিরিয়ে আনতে পারেন। আর সময় কম থাকলে সহজ পদ্ধতিতেও অল্প সময়ের মধ্যেই তৈরি করে নেওয়া যায় গোপালের প্রিয় এই প্রসাদ। জন্মাষ্টমীর ভোগে এবার তাই দোকান থেকে কিনে আনার বদলে নিজের হাতেই বানিয়ে নিতে পারেন মাখন-মিছরি।
* প্রথমে নিন ১০০ গ্রাম ঘি। এ বার তাতে দিন ৬-৭ টুকরো বরফ। আইস কিউবগুলি দিয়ে ভাল করে মাখতে থাকুন। কিছু ক্ষণের মধ্যে ঘি রূপান্তরিত হবে মাখনে।
* এ বার মাখনের মণ্ডের মধ্যে দিন মিছরির দানা বা মিছরির গুঁড়ো। তার পর আবার ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পর মাখনের মণ্ডকে হাতের সাহায্যে গোলাকার আকার দিন। তার উপর ছড়িয়ে দিন মিছরির গুঁড়ো।
* মাখনের মণ্ডের উপর ছড়িয়ে দিন ড্রাই ফ্রুটস গুঁড়ো বা ক্রাশড ড্রাই ফ্রুটস। সবার শেষে দিন জাফরান। ইচ্ছে হলে এই মাখন মিছরি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করতে পারেন। নয়তো তৈরি করার পর রুম টেম্পারেচারে রেখেই তুলসীপাতা দিয়ে নিবেদন করতে পারেন জন্মাষ্টমীর পুজোয়। ছোট্ট সুন্দর মাটির মটকা কিনতে পারবেন দশকর্মা দোকানে বা অনলাইনে। বাহারি মাটির পাত্রে সাজিয়ে নিবেদন করুন পুণ্যতিথির পুজোয়।
