West Bengal

56 minutes ago

Agnimitra Paul: পুজোর পরেই পুরভোটের দামামা? ডিসেম্বরেই নির্বাচন, বড় ইঙ্গিত অগ্নিমিত্রার

Agnimitra Paul
Agnimitra Paul

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  আগামী ডিসেম্বরেই রাজ্যে পুরভোট হতে পারে, এমনই ইঙ্গিত দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় এক প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি জানান, রাজ্যের পুরসভাগুলিতে উন্নয়নের কাজ ফের গতি পাবে। দীর্ঘদিন ধরে যে সব জায়গায় উন্নয়নমূলক কাজ থমকে ছিল, সেগুলিও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক পুরসভায় নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু পুরসভায় বর্তমানে প্রশাসকের মাধ্যমে কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ডিসেম্বর নাগাদ পুরভোট হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এবার মন্ত্রীর বক্তব্যে সেই জল্পনাই নতুন করে জোর পেল। এদিন বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক সভায় উপস্থিত ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল। পুরভোট নিয়ে তাঁর মন্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি পুজোর পর থেকেই রাজ্যে পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে? 

আগামী ডিসেম্বরেই রাজ্যে পুরসভা নির্বাচন হতে পারে বলে মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় এসে জানালেন তিনি। বাঁকুড়া জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দপ্তরে বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন পুরমন্ত্রী। অডিটোরিয়ামে ঢোকার মুখেই প্রশাসকের হাতে থাকা পুরসভাগুলির নাগরিক সমস্যার কথা তাঁর কাছে তুলে ধরেন স্থানীয়রা। সেই সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনেন মন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জানান, নাগরিক পরিষেবা দেওয়াই অন্যতম উদ্দেশ্য। উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য। অগ্নিমিত্রা বলেন, “প্রতিটি দপ্তরই বসে আসে। কোন দপ্তরে শেষ ১৫ বছর কাজ হয়েছে? বা তার আগের ৩৪ বছর কোথায় কাজ হয়েছে? প্রত্যেকটা দপ্তরকেই হাতে ধরে তৈরি করতে হবে।” ডিসেম্বরেই পুরভোট করার কথা ভাবা হচ্ছে। সেই কথাও এদিন জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। পুরসভাগুলিতে প্রশাসক বসিয়ে পরিষেবা দেওয়ার কাজ হচ্ছে। সেই কথাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। কোনও মানুষের যাতে পরিষেবা পেতে সমস্যা না হয়, সেসব নিজে লক্ষ্য রাখছেন। সেই কথাও জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী।

রাজ্যে পালাবদলের পর বাঁকুড়া জেলার তিনটি পুরসভায় পুরপ্রধান পদত্যাগ করেছেন। ফলে নির্বাচিত পুরবোর্ডের পরিবর্তে ওই পুরসভাগুলির প্রশাসনিক দায়িত্ব এখন প্রশাসকের হাতে। পুরপ্রধানহীন ওই পুরসভাগুলির রাস্তা, নিকাশি, পানীয় জল, আবর্জনা সাফাই-সহ নানা নাগরিক সমস্যা নিয়ে এ দিন পুরমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানানো হয়। সমস্যাগুলি শুনে দ্রুত নির্বাচিত পুরবোর্ড গঠনের ইঙ্গিতই কার্যত দিয়েছেন তিনি। 

You might also like!