West Bengal

1 hour ago

CM Suvendu Adhikari: হালিশহরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারকে আশ্বাস, আইসি-আইওর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর

CM Suvendu Adhikari in Halisahar
CM Suvendu Adhikari in Halisahar

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘পুলিশ হেফাজতে’ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার সকালে মন্ত্রী অর্জুন সিং, সুমনা সরকার, স্থানীয় বিধায়ক, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং বারাকপুরের সিপিকে সঙ্গে নিয়ে হালিশহরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। নিহত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে হালিশহর থানার আইসিকে ক্লোজ এবং মামলার তদন্তকারী আধিকারিককে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি নিহতের স্ত্রীকে অ্যাটেনডেন্ট পদে চাকরি এবং পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়ার ঘোষণাও করেন তিনি। 

হালিশহরে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “একটা লিখিত চিঠি আমাকে মৃতের স্ত্রী দিয়েছেন। মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ দেননি। তাই কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন। ওঁরা দেখা করেননি। দাদা শুধু বলেছিলেন বিচার চাই। বিচার দিতে পারবে রাজ্য প্রশাসন। এটা বড় পাওনা। বাংলার রাজনীতিতে পুলিশের গুলি চালানো, রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বোমাবাজি, বন্দুকবাজি এবং পুলিশের কিংবা রাজনৈতিক হেফাজতে অনেক খুন হয়েছে। এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় উদাহরণ দেখাতে পারবেন না যে কোনও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণ করা কারও বাড়িতে এসেছেন। যা এখন দেখতে পাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসনের উপর ভরসা রেখেছেন পরিবারের লোকজনেরা এটাই বড় ব্যাপার।”  

তিনি আরও বলেন, “ওঁর স্ত্রী আমাকে বলেছেন, আপনাকে ‘দোষী’ পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দু’টি বাচ্চা রয়েছে। আমার ভবিষ্যৎ ও বাচ্চার পড়াশোনার দায়িত্ব নিতে হবে। তৃতীয়টা বলেননি। এটা আমরা বলেছি। পুলিশ লকআপে মারা গিয়েছেন, তা দিনের মতো সত্যি। কতটা অত্যাচারে মারা গিয়েছেন, তা আমি বলতে পারব না। যতক্ষণ না রিপোর্ট পাচ্ছি, তা রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলতে পারব না।” শুভেন্দু এই ঘটনায় দ্রুত ‘অ্যাকশন’ নেন। হালিশহর থানার আইসিকে ক্লোজ ও তদন্তকারী আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছেন তিনি। সাধারণত এই ধরনের ঘটনায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট বা এসডিও তদন্ত করেন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এক্ষেত্রে জেলাশাসককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিব বিকেলে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেবেন বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

নিহতের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে। অ্যাটেনডেন্টরা ১২ মাস ১৫ হাজার টাকা করে বেতন পান। ১ বছর পর গ্রুপ ডি স্টাফ হন তাঁরা। শুভেন্দুর কথায়, “পরীক্ষা ছাড়া তো আমি চাকরি দিতে পারি না। তাই এই চাকরি দিলাম। উনি রাজি হয়েছেন।” এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর তহবিল থেকে নিহতের দুই শিশুর পড়াশোনার জন্য ১০ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।”  

You might also like!