Breaking News
 
Halisahar incident: স্বামীর মৃত্যুর সুবিচারের লড়াই, সন্তানদের ভবিষ্যৎ! শুভেন্দুর ‘রাজধর্মে’ মুগ্ধ নিহত কর্মীর স্ত্রী CM Suvendu Adhikari: ‘যেখানে খুশি যান, পুলিশকে সময়মতো জানাবেন, নিরাপত্তা পাবেন’, মমতার নিরাপত্তা নিয়ে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা Jharkhand Student Protest: ৯৮ শতাংশ দাবি পূরণের দাবি খারিজ! নিয়োগ অনিয়মের প্রতিবাদে বিধানসভা অভিযানে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা CM Suvendu Adhikari: হালিশহরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারকে আশ্বাস, আইসি-আইওর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুভেন্দুর CM Suvendu Adhikari: বদলের বাংলায় সৌজন্যের ছবি, হালিশহরের নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে শুভেন্দু Minister Dilip :উৎসাহ-উদ্দীপনায় খড়গপুরে তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন, যোগ মন্ত্রী দিলীপের

 

West Bengal

59 minutes ago

CM Suvendu Adhikari: ‘এত চুরি করেছেন, চোর তো শুনতেই হবে!’ মমতার হেনস্তাকে ‘জনরোষ’ বললেন শুভেন্দু

Suvendu Adhikair on protests against Mamata Banerjee
Suvendu Adhikair on protests against Mamata Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  হালিশহরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার ঘটনায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনার প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এত চুরি করেছেন, চোর তো শুনতেই হবে।” একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলেও স্পষ্ট দাবি করেন তিনি। হালিশহরের ঘটনাকে ‘প্রবল জনরোষ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি, ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভয়ার মৃত্যুর দিনটির কথাও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

রবিবার, ৯ আগস্ট, অভয়ার মৃত্যুদিনে মমতা কেন তাঁর বাড়িতে গেলেন না সেই প্রশ্নও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আপনি তো আজ অভয়ার বাড়িতে যেতে পারতেন! গলায় গামছা নিয়ে রত্না দেবনাথের কাছে ক্ষমা চাইতে পারতেন। বলতে পারতেন যে, ভুল করেছি, ক্ষমা করুন। আমার বিশ্বাস, তিনি ক্ষমা করে দিতেন।” মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, “অভয়াকে যেদিন মেরেছিলেন, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়েছিলেন, ১০ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েছিলেন সেদিন আপনার গাড়িতে কাদা মাখাবে না তো কি ফুল ছুড়বে?” 

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কুমারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। এলাকায় তোলাবাজি-মারামারির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলেই জানান তদন্তকারীরা। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। সন্ধ্যায় তাঁর স্ত্রী জেলে দেখাও করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিরজু সুস্থই ছিলেন বলে জানান তাঁর স্ত্রী। হালিশহর থানার পুলিশের দাবি, শুক্রবার ভোররাতে ওই যুবককে অসুস্থ অবস্থায় লকআপে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতাল নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। যুবকের শরীরের একাধিক জায়গায় হাত-পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও অভিযোগ। পরিবারের আরও অভিযোগ, সকালে হালিশহর থানার পুলিশ কল্যাণী হাসপাতালে বিরজুর দেহ রেখে চলে যায়। ওই নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রবিবার দুপুরে হালিশহরে যান বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লক্ষ্য করে জল ও কাদা ছোড়া হয়। জুতোও ছোড়া হয়। ‘চোর ও ডাকাতরানি’ স্লোগানও দেওয়া হয়। যদিও প্রবল বিক্ষোভের মাঝেই নিহত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মমতা। বিক্ষোভের ঘটনার প্রবল সমালোচনা করেন।

শুভেন্দুর অভিযোগ, পুলিশকে না জানিয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে অহেতুক রাজনীতি করতে রবিবার হালিশহরে গিয়েছিলেন মমতা। তিনি জানান, মৃতের বাড়ির লোক মমতাকে ডাকেননি। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হন তা চান না। তাঁরা দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। মমতা জোর করে ঢুকতে চাইছিলেন। বাড়ির লোক প্রশাসন ও পুলিশের উপর সন্তুষ্ঠ। মমতা তাঁদের বিচার দিতে পারবেন না। পুলিশ প্রশাসনই দেবে। মমতার উদ্দেশে বেশ কয়েকটি পরামর্শ দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “বাড়ির লোক দরজা বন্ধ করে দিচ্ছেন। কিন্তু আপনি বলছেন, জোর করে ঢুকব। এসব করবেন না। আপনার কাছ থেকে সাহায্য, হস্তক্ষেপ চাইলে করুন। এখন উন্নয়নের সময়। কোথাও গিয়ে এমন কিছু করবেন না যাতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।”

You might also like!