
মালদহ, ৬ অক্টোবর : জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতি নির্বাচনের কয়েক ঘণ্টা আগে মালদা স্টেশন থেকে তিন সদস্যকে পুলিশ আটক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে ঝাড়খণ্ড থেকে ট্রেনে করে মালদাতে ফেরার সময় মালদাটাউন স্টেশনে নামার পর তাঁদের আটক করা হয় বলে অভিযোগ।
দক্ষিণ মালদার কংগ্রেস সাংসদ ঈশা খান চৌধুরী এবং কংগ্রেস নেত্রী মৌসম বেনজির নূর অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদে বিজেপির প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় পুলিশকে ব্যবহার করে তাঁদের সদস্যদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এর জবাব মানুষই দেবে।
উল্লেখ্য, ৪৩ আসন বিশিষ্ট মালদা জেলা পরিষদে তৃণমূলের ১৯ জন সদস্য এবং কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের সমর্থনে বর্তমান সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। অনাস্থা ঘিরে তৃণমূলের ওই সদস্যরা প্রায় এক মাস ধরে ঝাড়খণ্ডের একটি এলাকায় শিবিরে ছিলেন বলে জানা যায়।
মঙ্গলবার জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহ-সভাধিপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সোমবার রাতে ঝাড়খণ্ড থেকে ট্রেনে করে মালদাতে ফিরছিলেন ওই সদস্যরা। মালদা টাউন স্টেশনে পৌঁছনোর পর তাঁদের মধ্যে তিনজনকে পুলিশ আটক করে বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব রাজ্য পুলিশ প্রশাসন ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। যদিও কী কারণে ওই তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশাসনের তরফে বিস্তারিত বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।
