Breaking News
 
Sharadwat Mukhopadhyay Statement: চিকিৎসকদের ৯৬ ঘণ্টা টানা ডিউটির নির্দেশ? বিতর্কের মাঝে মুখ খুললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী Ration scam: মন্ত্রীর সামনে কান ধরে ওঠবস, তবু শেষরক্ষা হল না! অনিয়মের অভিযোগে গ্রেপ্তার রেশন ডিলার Suruchi Sangha: দুর্গাপুজোর আগেই সুরুচিতে পালাবদল, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’দের সরিয়ে নতুন কমিটির দায়িত্বে বিজেপি বিধায়ক Suvendu Adhikari: শ্রাবণ মাসে নতুন আয়োজন সরকারের,পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে হেলিকপ্টারে পুষ্পবৃষ্টির পরিকল্পনা TMC 21 July: ধর্মতলায় জমায়েত বন্ধ কেন? পুলিশের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মমতাপন্থী তৃণমূল Rajya Sabha Nomination: পদ্ম প্রতীকে ফের রাজ্যসভায় ফেরার প্রস্তুতি, শুভেন্দু-শমীককে পাশে নিয়ে মনোনয়ন সুখেন্দুদের

 

West Bengal

2 months ago

Suvendu Adhikari : নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর শক্তিপ্রদর্শন, ‘ঋণ শোধ করব’ বার্তায় উত্তাল জনতা

Suvendu Adhikari
Suvendu Adhikari

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:নন্দীগ্রাম আবারও প্রমাণ করল, এই কেন্দ্র এখনও অটুটভাবে ভরসা রাখে শুভেন্দু অধিকারী-র উপর। ২০১৬ থেকে শুরু করে ২০২১ এবং এবার ২০২৬—পরপর তিনবার জয় তাঁর রাজনৈতিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করেছে। বুধবার সকালে নন্দীগ্রামে পা রেখেই জনজোয়ারে ভাসলেন। বললেন, “নন্দীগ্রামের ঋণ আমি শোধ করবই।” হুঙ্কার ছেড়ে বললেন, “বিজেপি ১০০ বছর ক্ষমতায় থাকবে।” দলের কর্মী-সমর্থকদের হিংসা থেকে বিরত থাকার বার্তা দিয়ে বললেন, “আইনি পথে সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না।”

ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর, বাংলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে লড়াই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রেজাল্ট দুর্দান্ত। দুটি আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। ফলাফল ঘোষণার পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেলেই তিনি গিয়েছিলেন ভবানীপুরে। সেখানকার কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আবির খেলায় মেতে উঠেছিলে। বুধবার সকালে নিজের গড় নন্দীগ্রামে গেলেন শুভেন্দু। পুজো দিলেন বজরংবলির মন্দিরে। ভূমিপুত্রকে ঘিরে কার্যত জনজোয়ার। এলাকারবাসীর শুভেচ্ছায় ভাসলেন তিনি। বছরের পর বছর বাংলা শাসনের ভার ছিল কলকাতার বাসিন্দার হাতে। তবে এবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসছে শুভেন্দু অধিকারীর নাম। এদিন তিনি পৌঁছতেই নন্দীগ্রামের মানুষের একটাই দাবি, কাঁথির ছেলেটাই যেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন।

এদিন নাম করে নন্দীগ্রামের বহু সহযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্যদের কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। নন্দীগ্রামের চেহারা বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি শোনা গেল শুভেন্দুর গলায়। মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বললেন, “নন্দীগ্রামের মানুষ বরাবর আমার উপর ভরসা করেছেন। ২ বার সাংসদ করেছেন। তিনবার বিধায়ক। নন্দীগ্রামের ঋণ আমি শোধ করবই।” যেহেতু ২ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তাই নিয়ম অনুযায়ী কয়েকদিনের মধ্যেই একটি আসন ছাড়তে হবে শুভেন্দুকে। এদিন নন্দীগ্রামবাসীকে তিনি বলেন, “আমার হাতে তো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই, দল যে আসন ছাড়তে বলবে, সেটা আমাকে ছাড়তে হবে। তবে ভবানীপুর হোক বা নন্দীগ্রাম, আমি পাশে আছি, দায়িত্ব পালন করতে আমি ভুল করি না। সিদ্ধান্ত যাই হোক, আমাকে আপনারা সবসময় পাবেন।” শুভেন্দু বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। হুঙ্কার ছেড়ে বললেন, “১০০ বছর বাংলা শাসন করবে বিজেপিই।”

You might also like!