Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

West Bengal

2 years ago

STF: পার্সেলে হেরোইনের কাঁচামাল প্রেরণ! এসটিএফের জালে ৩

Sending the raw materials of heroin to the parcel! Caught by STF 3
Sending the raw materials of heroin to the parcel! Caught by STF 3

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স ডাকঘরের পার্সেলের ভিতরে মাদক পাঠানোর অভিযোগে একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনায় চার কেজি মাদক উদ্ধার করা হয়েছে তাঁদের কাছ থেকে। এই মাদকের বাজারদর প্রায় আট কোটি টাকা। এই ঘটনায় ধৃতরা সকলেই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। তাঁদের নাম  নাম সফি ইসলাম শেখ, গুড্ডু শেখ এবং সুরজ শেখ।  নাম সফি ইসলাম শেখ, গুড্ডু শেখ এবং সুরজ শেখ। এসটিএফের গোয়েন্দারা তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে বহরমপুর থানায় মামলা রুজু করেছেন। 

ঘটনার প্রেক্ষিতে এসটিএফ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, নাগাল্যান্ড থেকে ডাক বিভাগের পার্সেলের মাধ্যমে এই রাজ্যে মাদক পাচার করা হচ্ছে বলে তাঁরা খবর পান। সেই মতো ওত পেতে বুধবার হাওড়া স্টেশন থেকে সফিকে ধরা হয়। তাকে জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ওই দিনই নাগাল্যান্ড থেকে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এবং নবগ্রাম ডাকঘরে সফির নামে দু’টি পার্সেল পাঠানো হয়েছে। যা সফির নির্দেশ মতো নিয়ে গিয়েছে গুড্ডু ও সুরজ। এর পরেই গোয়েন্দাদের একটি দল মুর্শিদাবাদের কাশিমবাজার থেকে ওই দু’জনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের দাবি, ধৃতদের জেরায় জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া মাদক আসলে হেরোইন তৈরির কাঁচামাল। তার সঙ্গে রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করা হত বিশুদ্ধ হেরোইন। এর পরে সেই মাদক এজেন্টের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষত নদিয়া এবং দুই ২৪ পরগনায় ছড়িয়ে দেওয়া হত।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ডাকঘরের মাধ্যমে ওই পার্সেল পাঠালে ঝুঁকি কম। কারণ, কোন পার্সেলে কী আছে, তা পাঠানোর আগে দেখা হয় না। তারই সুযোগ নিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের মাদক কারবারিদের কাছ থেকে পার্সেলে মাদক পুরে রাজ্যে নিয়ে আসত সফি। ওই পার্সেল বুক করা হত নাগাল্যান্ড বা মণিপুরের কোনও ডাকঘর থেকে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফের পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু জানান, সড়কপথে বা ট্রেনে মাদক আনার ঝামেলা বেশি। সেই কারণে কারবারিরা এখন উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে মাদক আনতে বেছে নিচ্ছে ডাকঘরকে।

এসটিএফ সূত্রের খবর, এর আগে পার্সেলের মাধ্যমে মাদক পাচারের কথা জানানো হয়েছিল ডাক বিভাগকে। যাতে তারা স্ক্যানারের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তবেই পার্সেল বুক করে। কিন্তু সেই নিয়ম এখনও কার্যকর হয়নি। 

You might also like!