
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয়। সেই নির্দেশের পর বুধবার হলদিয়া জেল থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। জেল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গ্রেফতারের সময়কার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন মিলন। তাঁর অভিযোগ, “চোখে গামছা বেঁধে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল, ভাবছিলাম এনকাউন্টার করে দেবে।” পাশাপাশি পুলিশ তাঁকে নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন কংগ্রেস প্রার্থী।
আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দু’টি আসন রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হতে চলেছে। নন্দীগ্রাম আসন থেকে মিলন প্রধানকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। সম্প্রতি ১৯ বছরের পুরনো খুনের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশের অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তোলে কংগ্রেস। এরই মধ্যে নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থী জামিন নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন। অবশেষে মঙ্গলবার মিলন প্রধান হাই কোর্টে অন্তর্বর্তী জামিন পান। বুধবার হলদিয়া জেল থেকে বেরোন তিনি। গ্রেপ্তারির ১৩ দিনের মাথায় জেলমুক্তি হল তাঁর। ২১ অক্টোবর তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
জেল থেকে বেরিয়েই পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন মিলন। তাঁকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল বলে জানান তিনি। মিলন জানান, আজ, বুধবার থেকেই তিনি নন্দীগ্রামে প্রচার শুরু করবেন। তাঁর কথায়, “লাশের উপর দাঁড়িয়ে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। নন্দীগ্রামের উন্নয়ন বলতে কয়েকটি ঢালাই রাস্তা। এখনও এখানকার মানুষ পুকুরের জল খান। নন্দীগ্রামে যাতে আমি পৌঁছতে না পারি তার জন্য আমাকে জেলবন্দী করে রাখা হয়েছিল। যে জমি আন্দোলন শুভেন্দু অধিকারীকে পরিচিতি দিয়েছে, যে মামলায় তিনি নিজেও আছেন, সেই মামলাতে ইচ্ছাকৃতভাবে, পরিকল্পিতভাবে আমাকে হেনস্তা করা হয়েছে।”
