
কলকাতা, ৩ ফেব্রুয়ারি : বালি এবং কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মঙ্গলবার সকাল থেকে কলকাতা, আসানসোল, দুর্গাপুরের একাধিক ঠিকানায় চলছে তল্লাশি। অবৈধ কয়লা এবং পরিবহন সংক্রান্ত একটি মামলায় পশ্চিমবঙ্গের ১০টি স্থানে তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
ইডি সূত্রের খবর, মঙ্গলবারের তল্লাশিতে মনোরঞ্জন মণ্ডল নামে একজন পুলিশ অফিসার ইনচার্জকেও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। অন্যান্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন কিরণ খান, শেখ আখতার, প্রবীর দত্ত এবং মির্জা হেসামুদ্দিন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই তল্লাশি চলছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার একাধিক জায়গায়। ইডি সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ কলকাতা থেকে তিনটি গাড়ি করে ইডির একটি দল জামুড়িয়ায় পৌঁছয়। তার পর তল্লাশি শুরু হয় জামুড়িয়া বাজার সংলগ্ন পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় ব্যবসায়ী রমেশ বনসলের বাড়িতে। তাঁর দুই পুত্র সুমিত বনসল এবং অমিত বনসলের বাড়িতেও তল্লাশি চলছে।
এর পাশাপাশি জামুড়িয়ার পঞ্জাবি মোড়ে একটি হার্ডঅয়্যারের দোকান এবং একটি গুদামেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকেরা। জামুড়িয়া হাটতলা এলাকার বনসাল হার্ডঅয়্যার নামের দোকানেও তল্লাশি চলছে। বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পান্ডবেশ্বরের নবগ্রাম এবং দুর্গাপুরের একটি ঠিকানাতেও তল্লাশি চলছে।
