Breaking News
 
West Bengal Budget: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ৪ শতাংশ বাড়ল ডিএ, গঠিত হবে সপ্তম বেতন কমিশন Mamata Banerjee: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী না যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক, কারণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Mamata Banerjee on Suvendu Adhikari: বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ ঘিরে তীব্র বাকযুদ্ধ, অনুপ্রবেশ বনাম ভিনরাজ্যে বাঙালি নিগ্রহ প্রসঙ্গে মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু West Bengal Budget: সংক্ষিপ্ত রাজ্যপাল ভাষণ ঘিরে বিধানসভায় রাজনৈতিক তরজা, ভোট অন অ্যাকাউন্টের দিনেই শাসক-বিরোধী মুখোমুখি WB interim budget 2026: গিগ কর্মীদের জন্য ‘কবচ’ স্বাস্থ্যসাথী! বাজেটে বড় চমক রাজ্যের, বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন হাজার হাজার শ্রমজীবী West Bengal Budget 2026: কেন্দ্র না দিলেও পাশে আছে রাজ্য! ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবে সিলমোহর, বাজেটে শ্রমিকদের জন্য বড় সুখবর

 

kolkata

2 months ago

Primary TET: হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষকদের স্বস্তি, চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ

Big verdict on TET appointment case today
Big verdict on TET appointment case today

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য স্বস্তির খবর। হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্র একক বেঞ্চের নির্দেশ বাতিল করে জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের টেটের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক স্বপদে বহাল থাকবে।  বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, “দীর্ঘ ৯ বছর পর চাকরি বাতিল করলে পরিবারগুলির উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে।” তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতির তদন্ত অব্যাহত থাকবে। 

সরকারি আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী জানান, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী দুর্নীতির জন্য ৩২ হাজার প্রাথমিক চাকরি বাতিল করা হয়। কর্তৃপক্ষের ভুল কিংবা দুর্নীতির জন্য নিরীহ চাকুরিরতদের চাকরি বাতিল হতে পারে না। যাঁরা সফল হননি, তাঁদের জন্য সব কিছু ড্যামেজ হতে পারে না। এতদিন ধরে যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁরা কোনও প্রভাবশালীদের সঙ্গে যুক্ত নন। তাই তাঁদের চাকরি বহাল থাকবে বলেই জানায় ডিভিশন বেঞ্চ। অপরদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু X হ্যান্ডেলে প্রাথমিক শিক্ষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “সত‍্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে।” 

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রায় ৪২,৫০০ শিক্ষক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ২০২৩ সালের মে মাসে তখনকার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর ডিভিশন বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাকরি বহাল রাখার জন্য পর্ষদ আবেদন করে। তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে।  

তবে শেষপর্যন্ত, বুধবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে রায়দানের মাধ্যমে হাই কোর্টের নির্দেশে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও, কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্বপদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।  স্বাভাবিকভাবেই এই রায়ে শিক্ষকরা স্বস্তিতে থাকলেও, দুর্নীতি তদন্ত চলবে কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে। 

You might also like!