Breaking News
 
BJP : প্রতি মাসে মহিলাদের ৩০০০ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সরকারি বাসে মহিলাদের টিকিট ফ্রি পয়লা জুন থেকেই মিলবে সিদ্ধান্ত সরকারের Kunal Ghosh : রাজনৈতিক সৌজন্যে শুভেন্দুকে কুণালের শুভেচ্ছা, তালিকায় শোভনদেব-অসীমা, অনুপস্থিত নয়না West Bengal Cabinet Ministers 2026: :নতুন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টন শুরু, দিলীপ-অগ্নিমিত্রাদের কোন দপ্তর? একনজরে তালিকা Suvendu Adhikari : প্রশাসনিক রদবদলে বড় ঘোষণা, প্রথম ক্যাবিনেটে ষাটোর্ধ্ব আমলাদের সরিয়ে দিলেন শুভেন্দু Humayun kabir : পঞ্চায়েত সমিতিতে বড় বিতর্ক, ২৮ কোটির দুর্নীতির অভিযোগে আতাউর, তালা ঝুলল অফিসে Subhendu Adhikari : আগামী সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ডিএ ও পে কমিশন নিয়ে আলোচনা, ইঙ্গিত শুভেন্দুর

 

kolkata

3 months ago

West Bengal Budget: সংক্ষিপ্ত রাজ্যপাল ভাষণ ঘিরে বিধানসভায় রাজনৈতিক তরজা, ভোট অন অ্যাকাউন্টের দিনেই শাসক-বিরোধী মুখোমুখি

CM Mamata Banerjee & Governor C. V. Ananda Bose
CM Mamata Banerjee & Governor C. V. Ananda Bose

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃতীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের শেষতম বাজেট তথা ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ হল বৃহস্পতিবার। রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দিনের সূচনাতেই রাজ্য বিধানসভায় শুরু হয় বিতর্ক। দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু পরে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস অধিবেশনের সূচনা ভাষণ দেন। তবে সেই ভাষণ ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত—মাত্র সাড়ে চার মিনিটের। এই সংক্ষিপ্ত ভাষণ নিয়েই শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়। 

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যপালের সংক্ষিপ্ত ভাষণকে কেন্দ্র করে সরাসরি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের পর নিজের কক্ষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু দাবি করেন, রাজ্যপাল নাকি রাজ্য সরকারের তৈরি করা ‘মিথ্যা ভাষণ’ পড়তে অস্বীকার করেছেন। এদিন তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যপাল সূচনা ভাষণের প্রথম সাড়ে চার মিনিট পড়েছেন। সেখানে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের পাওনার কথা লেখা ছিল, কোনও অসুবিধা নেই। এর তথ্য আছে। কিন্তু তথ্য ছাড়া যেখানে মিথ্যা ভাষণ আছে, সেটা উনি পড়েননি। লেখা ছিল, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কেন্দ্রের জন্য হয়নি। এটা পুরোপুরি মিথ্যা। রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি। উনি মিথ্যা ভাষণ রাখেননি। ওঁর সাহস আছে। উনি উচিত কাজ করেছেন।’’ বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘‘রাজ্যপাল যখন চলে যাচ্ছিলেন, তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওঁকে প্রশ্ন করেন, উনি কেন পড়বেন না? উত্তরে রাজ্যপাল ওঁকে দেখান কী লেখা আছে, সেই জন্য তিনি পড়বেন না। এর পরে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেন, জাতীয় সঙ্গীত হবে। তাঁকে থেকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। রীতি মেনে জাতীয় সঙ্গীত হওয়ার পরে রাজ্যপাল বেরিয়ে যান।’’

তবে বিরোধী দলনেতার এই সব বক্তব্য যে একতরফা, তা স্পষ্ট হয় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। বাজেট পেশের পর মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রাজ্যপালকে বিদায় জানাতে বিধানসভার গেট পর্যন্ত এগিয়ে যান। সেই সময় তাঁদের দু’জনকে কিছুক্ষণ একান্তে কথা বলতেও দেখা যায়, যা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এরপরই রাজ্যপালের সংক্ষিপ্ত বাজেট বক্তৃতা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমি জানি কী কারণে রাজ্যপাল এমনটা করেছেন। আমার বলা উচিৎ নয়। তবে আমি জানি, রাজ্যপালের ফ্লাইট ধরার তাড়া ছিল।” তাঁর কথায়, ‘‘বিরোধীরা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। কিন্তু এটাও জেনে রাখুন, অনেক আসন হারাবেন।” ভোট অন অ্যাকাউন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে রাজ্যপালের সংক্ষিপ্ত ভাষণ ঘিরে যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল, তা স্পষ্ট করে দিল আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। বাজেটের পাশাপাশি এই ঘটনাও দিনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে বিধানসভা চত্বরে। 

You might also like!