Breaking News
 
Suvendu Adhikari helicopter diversion: আবহাওয়ার চোখরাঙানি, কালিম্পংয়ে নামল না মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার! অবতরণ উত্তরকন্যায় CM Suvendu Adhikari: ‘গ্রেপ্তার করে লুটের টাকা ফেরত’! জিটিএ দুর্নীতিতে এবার কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির PM Modi Gujarat-Maharashtra Visit: ‘আড়ি আড়ি’ গানে মোদিকে স্বাগত! ভদোদরার মঞ্চে কংগ্রেসকে তুলোধোনা, উন্নয়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর Vijay Stalin Gesture Row: ‘ভাঙা চোয়াল’ নিয়ে স্ট্যালিনকে কটাক্ষ! বিধানসভায় বিজয়ের মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক Dilip Ghosh: ‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’! দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে সুর চড়ালেন দিলীপ

 

kolkata

3 years ago

SSC Scam : চন্দনকে গ্রেফতার করতে ন'মাস লাগল', ফের সিবিআইকে ভর্ৎসনা বিচারকের

Chandan Mondal
Chandan Mondal

 

কলকাতা, ২১ ফেব্রুয়ারি : ফের আদালতের ভর্ৎসনার মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই । মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম কিংপিন ‘বাগদার রঞ্জন’ ওরফে চন্দন মণ্ডলকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। ‘গ্রেফতার করতে ন’মাস লাগল?’ বাগদার ‘সৎ রঞ্জন’-এর গ্রেফতারি নিয়ে এদিন এভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিবিআইকে । শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারক।

এদিন ‘সৎ রঞ্জনে’র জামিনের বিরোধিতা করে তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে সিবিআই। তদন্তকারীদের দাবি, “বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে চন্দনের ভূমিকা আছে। চন্দন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের থেকে টাকা তুলে নিজের অ্যাকাউন্টে রাখতেন। সেখান থেকে টাকা তুলে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে দিতেন। চন্দন কার থেকে টাকা নিয়েছেন, কাকে দিয়েছেন, সেগুলো এখনও জানা দরকার। তাই চন্দনের হেফাজত গুরুত্বপূর্ণ।”

সিবিআইয়ের আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারকের প্রশ্ন, “৪ মাস ধরে চন্দনকে বাইরে রেখেছিলেন। বলেছেন, ও তদন্তে সহযোগিতা করেছে। ৯ মাস সময় লাগল চন্দনকে দোষী প্রমাণ করতে?” বিচারপতির আরও প্রশ্ন, “হঠৎ করে এমন কী হল যে চন্দন দোষী হয়ে গেল? এখন বলছেন ও সহযোগিতা করছেন না। তাহলে এত প্রমাণ পেলেন কীভাবে? আপনারা যা বলছেন সেটা আপনাদের কথায় প্রকাশ পাচ্ছে না।”

সিবিআইয়ের দাবি, “চন্দন অনেক কিছু চাপা দিতে চাইছে। সম্পূর্ণটা বলছে না। মিডলম্যানের কাছ থেকে ৫-১৫ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে।” ফের বিচারপতি বলেন, “চারটে নোটিস পাঠিয়েছেন। ওকে বাইরে থাকতে দিয়েছেন আপনারাই। হঠাৎ করে আপনাদের মনে হল একে জেলে পুড়তে হবে।”

You might also like!