Breaking News
 
Suvendu Adhikari helicopter diversion: আবহাওয়ার চোখরাঙানি, কালিম্পংয়ে নামল না মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার! অবতরণ উত্তরকন্যায় CM Suvendu Adhikari: ‘গ্রেপ্তার করে লুটের টাকা ফেরত’! জিটিএ দুর্নীতিতে এবার কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির PM Modi Gujarat-Maharashtra Visit: ‘আড়ি আড়ি’ গানে মোদিকে স্বাগত! ভদোদরার মঞ্চে কংগ্রেসকে তুলোধোনা, উন্নয়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর Vijay Stalin Gesture Row: ‘ভাঙা চোয়াল’ নিয়ে স্ট্যালিনকে কটাক্ষ! বিধানসভায় বিজয়ের মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক Dilip Ghosh: ‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’! দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে সুর চড়ালেন দিলীপ

 

West Bengal

55 minutes ago

TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির

Two Trinamool factions clash over 'symbol' as soon as Nandigram polls are announced
Two Trinamool factions clash over 'symbol' as soon as Nandigram polls are announced

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:   রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই কার্যত ভাঙনের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস। জোড়াফুল প্রতীক এবং দলের তহবিলের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই শিবিরের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। সোমবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর, বাংলার এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সেই প্রতীক-সংঘাত আরও জটিল আকার নিল। কারণ, মমতাপন্থী এবং ঋতব্রতপন্থী, দুই তৃণমূলই উপনির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে ভোটের ময়দানে নামার অধিকার পাবেন কারা? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর আপাতত নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর। কমিশনই চূড়ান্তভাবে ঠিক করবে, উপনির্বাচনে কোন গোষ্ঠী তৃণমূলের প্রতীক ব্যবহার করে লড়তে পারবে। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল তৃণমূল কংগ্রেস। ৩৪ বছরের বাম শাসনের পতন হয়েছিল তাঁর হাতেই। কিন্তু নিজে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ১ মাসও দল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তৃণমূলের টিকিটে জেতা বিধায়করাই একে একে মমতার পাশ থেকে সরেছেন। তাঁদের ‘আসল তৃণমূলে’র নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে লোকসভার সাংসদদের একটা বড় অংশ মমতাকে ছেড়ে এনডিএকে সমর্থন করতে একটি অচেনা দলের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। যদিও তা নিয়ে এখনও জটিলতা জারি। তবে বিধানসভার ক্ষেত্রে আপাতত বিরোধীদের আসনে ঋতপন্থীরাই। ঋতব্রতকেই আপাতত বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দলনেত্রীকে একেবারে কোনঠাসা করার পর এবার প্রতীক নিজেদের হাতে নেওয়ার ‘খেলা’য় ‘আসল তৃণমূল’। উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই সেই প্রতীকের লড়াই আরও স্পষ্ট। কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় দু’পক্ষই।  

এ প্রসঙ্গে ‘আসল তৃণমূলে’র তরফে বিধায়ক সন্দীপন সাহা বলেন, “আমরা নথি দিয়েছি। তাতে আমরা নিশ্চিত প্রতীক আমরাই পাব। আমাদের প্রার্থী জোড়াফুল প্রতীকেই লড়ব। প্রার্থী বাছাই শুরু হয়ে গিয়েছে।” মমতাপন্থী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই দল মমতা সৃষ্টি করেছেন। তিনবার ক্ষমতায় এসেছে। এই প্রতীক মমতারই।” অর্থাৎ দু’দলই জোড়াফুল প্রতীকে লড়তে মানসিকভাবে প্রস্তুত। উল্লেখ্য, আইন অনুযায়ী কোনও দল টুকরো হয়ে গেলে কোন অংশটি দলের স্বীকৃত নাম ও সংরক্ষিত প্রতীক ব্যবহারের অধিকারী হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক্তিয়ার রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। ফলে প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানিতে কে জিতবে? তা পুরোপুরি নির্ভর করছে কমিশনের উপর। 

You might also like!