Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

1 month ago

Shamik Bhattacharya: ‘আমার নাম করে তোলাবাজি!’ শমীকের অভিযোগে নড়েচড়ে বসল পুলিশ, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

Extortion using Shamik Bhattacharya's name
Extortion using Shamik Bhattacharya's name

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ এবং ‘তোলাবাজি কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়’—নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত তিন মাসে মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের মুখে বারবার এই বার্তা শোনা গিয়েছে। কিন্তু সেই হুঁশিয়ারির মধ্যেই এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নাম ব্যবহার করে তোলাবাজির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার কাছ থেকে শমীক ভট্টাচার্যের নাম করে টাকা দাবি করা হয়েছিল। ঘটনার পর বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় প্রতারণার নেপথ্যে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

রবিবার একটি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে শমীক ভট্টাচার্য নিজেই তাঁর নাম করে তোলাবাজির ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আমার নাম করে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি থেকে তোলাবাজি করা হচ্ছে। টাকা আদায় করার জন্য আমার নাম করে ফোন করা হয়েছে। আমার সই নাম-পদবী দিয়ে চিঠি গেছে কোম্পানির কাছে। জানি না কীভাবে করল, বিধাননগর সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ করে বিষয়টি দেখতে বলা হয়েছিল। জানতে পারলাম জলপাইগুড়ি থেকে কেউ বা কারা এই এই তোলাবাজির জন্য রিয়েল এস্টেট কোম্পানি থেকে তোলাবাজির ছক কষেছিল। পুলিশ তদন্তে নেমে হাওড়ার সালকিয়া থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।” 

দিন কয়েক আগেই দলের মধ্যে তোলাবাজি-সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত, দল বিরোধী অনৈতিক কাজ যারা করছে তাদের খুঁজে বের করতে পার্টির তরফে জেলা পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতা-কর্মীদের তোলাবাজি সামলাতে দলের জেলা সভাপতি ও সেই জেলার বিধায়কদের বড় ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে বলেও বার্তা দেওয়া হয়েছে রাজ্য পার্টির তরফে। অনেকক্ষেত্রেই জেলা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং বিধায়ক, এই তিনজনের একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় থাকছে না বলে খবর এসেছে রাজ্য পার্টির কাছে। সেই সমন্বয় রেখে দলকে বিশুদ্ধ করতে হবে বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে। দলীয় কর্মীদেপ মধ্যে তোলোবাজি ঠেকাতে যখন মরিয়া নেতৃত্বরা, তখন তাঁদের নাম করে সিঁধ কাটছে একদল ‘অসাধু’? 

You might also like!