kolkata

1 month ago

Chandrima Bhattacharya: ‘মহিলাদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করবেন না!’ জ্ঞানেশ বনাম চন্দ্রিমা তরজায় উত্তপ্ত কক্ষ, উত্তাল রাজনীতি

Chandrima Bhattacharya
Chandrima Bhattacharya

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের সঙ্গে তৃণমূলের বৈঠক ঘিরে রণক্ষেত্র নিউটাউন! সোমবার বিকেলে বৈঠক সেরে বেরিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, বৈঠকে কোনও সৌজন্য দেখানো তো দূরস্ত, বরং তাঁর সঙ্গে অত্যন্ত অশোভন ও রুক্ষ আচরণ করেছেন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। চন্দ্রিমার কথায়, 'আমরা আমাদের কথা বলতে চাইলেও উনি কোনও কথা কানে তোলেননি, শুধু চিৎকার করে গিয়েছেন।' মমতা ও অভিষেকের পর চন্দ্রিমাকেও এভাবে অপমান করার ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই মনে করছে ঘাসফুল শিবির।

সোমবার বেলা ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই যাতে একজন বৈধ ভোটারেরও নাম বাদ যেন না যায়, সে আর্জি জানান শাসক শিবিরের প্রতিনিধি চন্দ্রিমা। তাঁর অভিযোগ, এসব কথা শুনতে চাননি জ্ঞানেশ। কথায় বলেন, “উনি একাই কথা বলেন। বললেন। কিছুক্ষণ পর ক্ষিপ্ত হয়ে গেলেন। চেঁচাচ্ছেন। বলছেন আপনারা সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া অপরাধ নাকি? আমাদের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার অধিকার আছে। আমি একজন মহিলা। আমাকে বলছে ডোন্ট শাউট। আমি বললাম, কীভাবে বলছেন আপনি? তার মানেই বোঝা যাচ্ছে মহিলাদের প্রতি শ্রদ্ধা নেই। তার জন্য মহিলাদের নাম বাদ দিচ্ছেন।” ফর্ম ৭ নিয়ে তথ্যগত গরমিলের অভিযোগও তোলেন চন্দ্রিমা। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চন্দ্রিমার আরও অভিযোগ, “আমাদের কথা শুনতে রাজি নন। খালি বলছেন সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। বেশ করেছি গিয়েছি। আমার অধিকার, বাংলার মানুষকে ঠিক রাখার অধিকারে গিয়েছি। মহিলাদের প্রতি চেঁচানো? আপনি দেখে নেবেন এরপর কী হয়।”

বৈঠক থেকে বেরিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিমও। বলেন, “বিজেপি ধারণা তৈরি করেছে এখানে অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গা রয়েছে। ক’জনকে খুঁজে বের করতে পারলেন? শুধু সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হল। হাজার হাজার মানুষকে অযথা লাইনে দাঁড় করালেন। আপনার বিজেপির কথা শুনে ভুল হয়ে গিয়েছে। আপনি বলতে পারবেন আই অ্যাম রং। তবে দেখবেন একজন ভারতীয় নাগরিকেরও যেন ভোটদানের অধিকার যেন খর্ব না হয়। বাংলার সর্বনাশ করেছে বিজেপি। নিরীহ মানুষ যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের মৃত্যুর কারণ ওরা।” তিনি আরও বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে অধিকার রক্ষা করতে গিয়েছি। আদালতে যাওয়ার আগে বারবার আপনার কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। গুরুত্ব দেননি।” এদিন কমিশনের ফুলবেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন বাম, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও। তাঁরা এক কিংবা দু’দফায় ভোটের দাবি জানান।

You might also like!