Breaking News
 
Kolkata High Court to CPIM: পুজোয় বুকস্টল বসানো নিয়ে বামেদের মামলা, দুর্গাপুজোর আগে শুনানিতে নারাজ হাই কোর্ট Anti-CEC row: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলের পিটিশন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রমাণ চাইতেই পালিয়েছেন’, তোপ বিজেপির CM Suvendu Adhikari: রাজস্ব আদায়ে নতুন নজিরের দাবি শুভেন্দুর, উপনির্বাচনে জয়ের পর হুমায়ুনকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর Houthi Strike Saudi Arabia | আগুনে জ্বলছে রিয়াধ বিমানবন্দর, হাউথি হামলায় মৃত ১৩, বিপদের মুখে দাম্মামও India protest: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সুপ্রিম অভিযান, রাহুল-মমতার কর্মসূচিকে নিশানা বিজেপির West Bengal Police: ‘পুলিশের সংখ্যায় উত্তরপ্রদেশকেও ছাপাবে বাংলা’, ১১ হাজার নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর

 

kolkata

2 years ago

Calcutta High Court:অফিসে ‘সুইটি’, ‘বেবি’ বলা মানেই হেনস্থা ,বিশেষ পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

Calcutta High Court
Calcutta High Court

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃখাতায়-কলমে নাম যাই হোক না কেন, পরিচিত বা প্রিয়জনকে আদর করে অনেকেই বিভিন্ন নামে ডেকে থাকে। সে সব নামে ডাকলে কি ইঙ্গিতটা বদলে যায়? সেই প্রশ্নই উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। কাউকে ‘সুইটি’ বা ‘বেবি’ বলে ডাকার অর্থ কি যৌন হয়রানি বলে বিবেচিত হতে পারে? কোস্টগার্ডের এক মহিলা কর্মীর মামলায় প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি।

মামলায় নেভির এক মহিলা অফিসার তাঁর সুপিরিয়রের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনেন। হাইকোর্টে দায়ের করা মামলায় ওই মহিলা তাঁর সুপিরিয়রের ‘সুইটি’ ও ‘বেবি’ সম্বোধনকেই জোরালো প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। যদিও বিচারপতি ভট্টাচার্যের বক্তব্য, এই ধরনের শব্দপ্রয়োগ সামাজিক কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত। শব্দের ক্ষেত্রে একে সেক্সুয়াল রং দেওয়া হয় না।

আদালতের সামনে এটাও উঠে আসে যে, ওই মহিলা যখন তাঁর অফিসারকে জানান তিনি এই ধরনের সম্বোধন শুনতে অভ্যস্ত নন, ওই অফিসারও সঙ্গে সঙ্গে এই সব শব্দের ব্যবহার বন্ধ করে দেন। এই মামলার ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ দেখে ‘স্টেয়ারিং’ বা তাকানোর প্রসঙ্গও টেনেছে হাইকোর্ট। আদালতের বক্তব্য, অনেক রকম ভাবেই তাকানো যায়। কিন্তু তাকানো মানেই যৌনহেনস্থা, এমনটা সবসময়ে না-ও হতে পারে।

এর আগে ওই মহিলা তাঁর অফিসের ইন্টারনাল কমপ্লেনস কমিটির (আইসিসি) কাছেও এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কমিটি জানায়, এই ধরনের শব্দপ্রয়োগ সঠিক নয়। তবে কমিটি এ-ও লক্ষ্য করেছে, অভিযোগকারিণী যখন হোয়াটসঅ্যাপ করে এবং অন্য ভাবে ওই অফিসারকে তাঁর আপত্তি বোঝান, তখন থেকে আর অভিযুক্ত অফিসার ওই সব শব্দ ব্যবহার করেননি। আদালত মনে করছে, মহিলার আপত্তি শুনে থেমে যাওয়ার অর্থ একটাই— মহিলাকে বিরক্ত করা বা সেক্সুয়াল ইঙ্গিত করে হেনস্থা করার পথে হাঁটেননি অভিযুক্ত অফিসার।

ওই মহিলা আরও নানা ভাবে তাঁকে হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন। কিন্তু সে সবের সমর্থনে কোনও সাক্ষ্য, সিসিটিভি ফুটেজ ইত্যাদি যে পাওয়া যায়নি, তা জানিয়েছিল আইসিসি। কোর্টের নজরে এটাও এসেছে। অভিযোগের ধারাবাহিকতা এবং ঘটনাক্রম দেখে কোর্ট এই অভিযোগকে সঠিক বলে মনে করেনি। অভিযোগকারিণীর অন্য সহকর্মীরা এর আগে নানা সময়ে তাঁর সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ করেছিলেন অফিস কর্তৃপক্ষের কাছে। সে সব থেকে বাঁচতেই তিনি এই মামলা করেছেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে আদালত।আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, যৌন হয়রানির অভিযোগের যদি অপব্যবহার করা হয়, তাহলে তা মহিলাদের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর হবে।


You might also like!