
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:দ্বিতীয় দফার ভোটাভুটির শেষলগ্নে ভোট দিতে এসেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ সরব তৃণমূলনেত্রী। মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভিকট্রি সাইন দেখিয়ে ভোট দিতে ঢোকেন তিনি। জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসও প্রকাশ করেন মমতা।
মঙ্গলবার রাত থেকে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় পুলিশ, বাহিনীর তল্লাশির খবর পাওয়া গিয়েছে। বুধ সকালে প্রথমেই তা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল চারটে নাগাদ ভোট দিতে গিয়ে মমতা বলেন, “কাল রাত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার করছে। এটা আদালত অবমাননা। আমার পাড়ার লোক, মেয়েদের মেরেছে। কী যে করছে, কী যে না করছে ওরা। এটা কী ওদের ডিউটি? এটা ওরা করতে পারে না। আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাটেও অত্যাচার করছে।” জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ আশাবাদী মমতা আরও বলেন, “দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আমরাই পাচ্ছি। তৃণমূলই জিতছে।”
এদিন সকালে ভবানীপুরের বুথ পরিদর্শন করেন মমতা। চেতলা, চক্রবেড়িয়ার বুথে বুথে ঘোরেন। চক্রবেড়িয়ার একটি বুথে বেশ কিছুক্ষণ বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অত্যাচার’ নিয়ে সরব হন। মনে করিয়ে দেন তাঁর নিজের পদের কথা। মমতার কথায়, ‘‘মনে রাখতে হবে, আমি কিন্তু এখনও চেয়ারে আছি।”
বেশ কিছুক্ষণ কাউন্সিলর অসীম বসুর কার্যালয়ে গিয়ে বসেন। তাঁর বাড়িতেও যান। তৃণমূলনেত্রী বলেন, ‘‘কাল রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ বাবাইয়ের (অসীম বসু) বাড়িতে যায় বাহিনী। ওর স্ত্রী বাচ্চাটাকে নিয়ে বাড়িতে একা ছিল, ও দলের কাজে বাইরে ছিল। সেটা ওর স্ত্রী জানায়। তারপরও ওরা কথা শোনেনি। বাড়ির ভিতর ঢুকে হুমকি দিয়েছে, বাবাই যেন ভোটের দিন কোনও কাজ না করে। মোবাইলও কেড়ে নেয়। এভাবে কি ভোট হয়? এখানে গুন্ডারাজ চলছে? একটা কথা মনে রাখবেন, আমাদের কর্মীরা মৃত্যুবরণ করবে, তবু কারও কাছে মাথানত করবে না।” এদিন বিকেলেও তাঁর গলায় শোনা যায় একই আত্মবিশ্বাসের সুর।
