
কলম্বো, ১৪ ফেব্রুয়ারি : সোমবারই খবর ছড়িয়েছিল এলটিটিই নেতা প্রভাকরণ বেঁচে আছেন এবং সুস্থ আছে। গতকাল এলটিটিই নেতা পাঝা নেডুমারান এই দাবি করেছিলেন । তবে তামিল নেতার এই দাবিকে উড়িয়ে দিল শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি প্রভাকরণের বেঁচে থাকার খবর যথার্থই হাস্যকর।
রাজীব গান্ধী হত্যায় নাম জড়িয়ে ছিল লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (এলটিটিই)নেতা প্রভাকরণের। প্রভাকরণের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে বিঘ্নিত হচ্ছিল শ্রীলঙ্কার আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা। তাঁর প্রভাব পড়েছিল ভারতেও। শ্রীলংকা ও ভারতে ত্রাসের কারণ হয়ে উঠেছিল এই সংগঠনটি। শ্রীলঙ্কার জাফনা প্রদেশকে স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র ঘোষণার দাবিতে সোচ্চার হওয়া সংগঠনটি নিষিদ্ধ ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। ২০০৯ সালের ১৯ মে শ্রীলংকা সেনার হাতে নিহত হন প্রভাকরণ। মৃতদেহের ছবি প্রকাশ্যেও এনেছিল সে দেশের সরকার। যদিও সেই দাবি অনেকেই মানতে চাননি। প্রভাকরণ ইস্যুতে ফের সরগরম হল শ্রীলংকার রাজনীতি। সোমবার এলটিটিই নেতা পাঝা নেডুমারান দাবি করেছিলেন প্রভাকরণ বেঁচে আছেন এবং সুস্থ আছে। খুব শিগগির তিনি প্রকাশ্যে আসবেন। তামিল নেতার এই দাবির পর ব্যপক শোরগোল পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা ও ভারতে। শ্রীলঙ্কার বর্তমান সরকার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, প্রভাকরণের বেঁচে থাকার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তামিল নেতার এই দাবিকে একপ্রকার উড়িয়ে দিল শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি প্রভাকরণের বেঁচে থাকার খবর যথার্থই হাস্যকর। এক সাক্ষাৎকারে শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কলনেল নলিন হেরাথ জানান, ‘২০০৯-এর ১৯ মে প্রভাকরণকে মারা হয়েছে সেটা নিশ্চিত। ডিএনএ রিপোর্টই তার প্রমাণ দেয়।’
