Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

International

1 month ago

Indonesia Earthquake: ইন্দোনিয়েশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূকম্পন, বিপর্যয়ের আবহ ফ্লোরেস অঞ্চলে

Indonesia Earthquake
Indonesia Earthquake

 

জাকার্তা, ১৭ আগস্ট  : গত শনিবারে হওয়া ভয়াবহ ৭.৭ মাত্রার জোরালো ভূমিকম্পের আতঙ্কের আমেজ কাটতে না কাটতেই সোমবার ভোরে পুনরায় কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চল। জার্মানির 'জিএফজেড রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস' -এর তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে সোমবারের এই কম্পনের ঔতীব্রতা ছিল ৫.৯। সোমবারে পুনরায় হওয়া এই কম্পনে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর না পাওয়া গেলেও শনিবারের ভয়াবহ ভূমিকম্পের জেরে বিস্তীর্ণ অঞ্চল ইতিমধ্যেই বিপর্যস্ত। গত শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে ৭.৭ মাত্রার এক প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প। ওই কম্পনের পর দ্রুত সুনামি সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছিল। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫৩-তে। ফ্লোরেস প্রদেশের মানগাড়াই, ইস্ট মানগাড়াই এবং নাগাকে ও অঞ্চল তিনটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার প্রধান আবদুল মুহারি জানিয়েছেন, ভূকম্পের ধাক্কায় দেশজুড়ে প্রায় ৯০০টি ঘরবাড়ি একবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এছাড়া ইস্ট নুসা টেঙ্গারা অঞ্চলে আরও ৪৫০টি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সমগ্র অঞ্চলে প্রায় ৫,০০০-এরও বেশি মানুষ আপাতত গৃহহীন অবস্থায় ত্রাণ শিবিরে দিন কাটাচ্ছেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, শনিবারের মূল কম্পনের পর থেকে এ পর্যন্ত অঞ্চলটিতে অন্তত ৯৯৫টি আফটার শক (পরবর্তী মৃদু কম্পন) নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪৬টি কম্পন স্থানীয় বাসিন্দারা স্পষ্টভাবে অনুভব করতে পেরেছেন।

ভূমিকম্পের ফলে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। সড়ক পরিবহণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ 'ট্রান্স-ফ্লোরেস হাইওয়ে' জায়গায় জায়গায় ধসে যাওয়ায় উদ্ধারকারী দল ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছাতে ব্যাপক বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর উদ্ধারকারী দল ধসে পড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে নিরন্তর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

You might also like!