
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী নিজে কেমব্রিজের ছাত্র ছিলেন, এখন সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই নিজের দৃষ্টিভঙ্গী ও মতামত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পৌঁছে গিয়েছেন "কেমব্রিজ জজ বিজনেস স্কুল"-এ এমবিএ ছাত্রদের কাছে, সেখানে "একবিংশ শতাব্দীতে শুনতে শেখার" শীর্ষক আলোচনায় নিজের বক্তব্য রাখলেন তিনি।
রাহুল নিজের বক্তৃতায় বলেছিলেন যে ২১ তম শতাব্দীতে বিশ্বজুড়ে মানুষকে সহানুভূতির সাথে শোনার উপায় খুঁজে বের করতে হবে,তিনি আরো বলেন-"...আপনি কীভাবে গণতান্ত্রিক পরিবেশে উত্পাদন করবেন সে সম্পর্কে আমাদের নতুন চিন্তাভাবনা দরকার..."
রাহুলের বক্তৃতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশেষ করে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কথা বলেছেন।
তিনি বলেন একবিংশ শতাব্দীতে কর্মব্যস্তময় জীবনে সহানুভূতি সহকারে শোনার একটি উপায় খুঁজে বের করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, এবং এই যে অনুভূতি সকারে শোনার যে গুরুত্ব তা বিশ্বজনমানসে তুলে ধরতে চেয়েছেন। এর সাথে তিনি যোগ করেছেন যে শোনার শিল্পটি খুব শক্তিশালী যখন তাতে ধারাবাহিকতা আনা সম্ভব হবে।
বর্তমানে রাহুল ইংল্যান্ডে রয়েছেন, প্রসঙ্গত, তার বক্তব্যে তিনি তার "ভারত জোড়া যাত্রা"-র কথাও বলেছেন। “ভারতে কুসংস্কার, বেকারত্ব এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্য” মুছে ফেলে ভারতের যে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো তাকে একসূত্রে বাঁধার প্রচেষ্টায় গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ১২টি রাজ্যের মধ্য দিয়ে তার ৪,০০০ কিলোমিটারের এই পদযাত্রার আয়োজন করেন।
প্রসঙ্গত, কেমব্রিজে বক্তৃতা দেওয়ার পাশাপাশি,ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের ইউকে অধ্যায়ের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করবেন এবং লন্ডনে একটি ভারতীয় প্রবাসী সম্মেলনে ভাষণ দেবেন।
