Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

International

1 month ago

Nepal Flash Flood : ভূমিকম্পের পরেই হড়পা বানের আতঙ্ক! নেপালের দুই জেলায় হাই অ্যালার্ট

Nepal flash floods
Nepal flash floods

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  এ যেন বিপদের উপর আরও বড় বিপদ। বুধবারের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই উত্তর নেপালে ফের হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রথমে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তবে শুক্রবার সকালে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। USGS-এর আপডেট অনুযায়ী, এদিন সকালে চিনের সিচুয়ান সংলগ্ন এলাকায় ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর পরেই তিব্বতের কাছে একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর সামনে আসে। ফলে আগামী ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ফের হড়পা বান নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রাসুয়া ও ধাদিং জেলায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। নতুন করে বানের আশঙ্কায় আপাতত উদ্ধারকাজও বন্ধ রাখা হয়েছে। 

জানা গিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের সিচুয়ান অঞ্চলে নতুন করে জোরালো কম্পন অনুভূত হয়। সিনহুয়া নিউজ়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.১। চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (CENC) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল প্রায় ২৯.২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ১০৫.২২ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে মাটির ১৩ কিমি গভীরে। আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা USGS-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫। এর জেরেই তিব্বতের বাঁধ ফেটে বিপদ ঘটেছে কি না তা স্পষ্ট নয়।  বুধবার তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের বানবিধ্বস্ত এলাকার রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং ও চিতওয়ানে জারি করা হয়েছে নতুন করে সতর্কবার্তা। প্রাণহানি এড়াতে বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় দ্রুত সরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

২৬ অগস্টের ভয়াবহ বিপর্যয়ে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত তছনছ হয়ে যায়। হিমবাহ ও পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে পড়ে নদীতে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ নেমে আসে। সেই প্রবল স্রোত ভাসিয়ে দেয় রাস্তা, সেতু, বাড়িঘর এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেই ধ্বংসাবশেষই নতুন বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর গতিপথ আটকে বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রাকৃতিক বাঁধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে জল জমে তৈরি হয়েছে ‘ব্যারিয়ার লেক’। জলস্তর আরও বাড়লে সেই প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে ফের ভয়াবহ জলস্রোত নেমে আসতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। চিনের জলসম্পদ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের একটি বিপজ্জনক জলাধারে আগামী কয়েক দিনে প্রায় ৩০ লক্ষ ঘনমিটার জল ঢুকতে পারে। যদিও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এমন বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু এ দিন সকালে চিনে ভূমিকম্পের পরেই তিব্বতে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় ফের বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


You might also like!