
ব্রাসিলিয়া, ১১ জানুয়ারি : ব্রাজিলের কংগ্রেস, প্রেসিডেন্ট প্যালেস এবং সুপ্রিম কোর্টে হামলার ঘটনায় দেশটিতে চলছে গণগ্রেফতার। এর মধ্যেই দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ব্রাজিলের সামরিক পুলিশের প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
হামলাকারীরা রাজধানী ব্রাসিলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে হামলা চালানোর পর ব্রাজিলের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ দেশটির শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নির্দেশের পর ব্রাজিলের সামরিক পুলিশের সাবেক কমান্ডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ব্রাজিলের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস বলেছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্রাসিলিয়ার প্রাক্তন জননিরাপত্তা প্রধান অ্যান্ডারসন টরেস-সহ এবং অন্যান্যরাও রয়েছেন। তবে টরেস দাঙ্গায় কোনও ভূমিকা রাখার কথা অস্বীকার করেছেন।
এছাড়া প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর সমর্থকরা কংগ্রেস, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ এবং সুপ্রিম কোর্টে হামলা চালানোর পরে পুলিশ কমান্ডার কর্নেল ফাবিও অগাস্টোকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
বামপন্থি নেতা লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহ পরই এই দাঙ্গা শুরু হয়।
দাঙ্গার পরে গ্রেফতার প্রায় ১৫০০ জনকে পুলিশ একাডেমিতে আনা হয়। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেফতারদের মধ্যে প্রায় ৬০০ জনকে পৃথক জায়গায় নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আনার জন্য পুলিশ কর্মকর্তারা পাঁচ দিন সময় পাবেন।
এর আগে মঙ্গলবার ব্রাসিলিয়ার প্রাক্তন জননিরাপত্তা প্রধান অ্যান্ডারসন টরেসের বিরুদ্ধে ‘কাঠামোগত নাশকতা অভিযান’ পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। ব্রাসিলিয়াতে নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্বে নিযুক্ত রিকার্ডো ক্যাপেলি বলছেন, সরকারি ভবনেগুলোতে হামলার আগে টরেসের ‘কমান্ডের অভাব’ছিল।
