Festival and celebrations

1 week ago

Puja Alert: চাঁদার জুলুমে এবার ‘নিষেধাজ্ঞা’! অভিযোগ জানালেই দ্রুত পদক্ষেপ, হেল্পলাইন চালু কলকাতা পুলিশের

Puja Chanda Complaint
Puja Chanda Complaint

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজো মানেই উৎসবের আমেজ, আর সেই উৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে চাঁদা সংগ্রহের বিষয়টিও। তবে বছরের পর বছর চাঁদার অঙ্ক বাড়ার পাশাপাশি কোথাও কোথাও জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগও ওঠে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে বা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে না পারলে সমস্যায় পড়ার অভিযোগ নতুন নয়। এবার সেই ‘চাঁদার জুলুম’ রুখতে উদ্যোগী হল কলকাতা পুলিশ। 

চাঁদার জন্য কেউ জোরজবরদস্তি বা হেনস্থা করলে সরাসরি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো যাবে। এর জন্য দুটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে কলকাতা পুলিশ। একটি নম্বরে ফোন করে এবং অন্যটিতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যাবে। নম্বর দুটি হল ১৮০০-৩৪৫-৫৬৭৮ এবং ৯৪৩২৬২৪৩৬৫। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁদা আদায়ের নামে কোনও ব্যক্তি জুলুম, হুমকি বা সমস্যার মুখে পড়লে দ্রুত এই নম্বরগুলিতে যোগাযোগ করতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে পুলিশ। ফলে পুজোর মরশুমে চাঁদা নিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমানোই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।


বাঙালির উৎসবের ক্যালেন্ডারে সারা বছরই কোনও না কোনও পুজো লেগেই থাকে। সরস্বতী পুজো থেকে শুরু করে দুর্গাপুজো, কালীপুজো, কার্তিক পুজো—বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে পাড়ায় পাড়ায় চাঁদা সংগ্রহের রীতি রয়েছে। অনেকেই স্বেচ্ছায় সামর্থ্য অনুযায়ী চাঁদা দেন। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, কোথাও কোথাও সেই চাঁদা সংগ্রহই বাধ্যতামূলক আদায়ের রূপ নেয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিংবা রাস্তা আটকে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করার ঘটনাও সামনে আসে। 

বিশেষ করে দুর্গাপুজোর সময় এই বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ বেশি শোনা যায়। চাঁদার অঙ্ক দিতে না পারলে বিভিন্নভাবে চাপের মুখে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ করেন অনেকে। সেই পরিস্থিতিতে পুলিশের এই হেল্পলাইন সাধারণ মানুষের জন্য সরাসরি অভিযোগ জানানোর একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি চাঁদা সংগ্রহের বিষয়টি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা রয়েছে। চলতি বছরও পুজোর অনুদান নিয়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বড় পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি আর্থিক সাহায্য না নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এবার চাঁদা আদায়ের নামে জোরজবরদস্তি ঠেকাতে কলকাতা পুলিশের সরাসরি হস্তক্ষেপ। উৎসবের আনন্দের মধ্যে যাতে সাধারণ মানুষ কোনওরকম চাপ বা হয়রানির শিকার না হন, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। 

You might also like!