
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় পাপারাজ্জিদের আচরণে চরম বিরক্ত হলেন বলিউড সুপারস্টার সলমন খান। চিত্রসাংবাদিকদের ভিড় এবং একের পর এক প্রশ্নে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ‘ভাইজান’। পরে সোশাল মিডিয়াতেও একাধিক পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এমনকি কড়া ভাষায় সতর্কবার্তাও দেন অভিনেতা। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসছেন সলমন খান। সেই সময় পাপারাজ্জিরা তাঁকে ঘিরে ধরে ছবি তুলতে শুরু করেন এবং বারবার তাঁর নাম ধরে ডাকাডাকি করেন। কেউ কেউ আবার তাঁর আগামী ছবি ‘মাতৃভূমি’ নিয়েও প্রশ্ন করতে থাকেন। পরিস্থিতিতে স্পষ্ট বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় অভিনেতাকে। হাতের ইশারায় তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, হাসপাতালে এমনভাবে তাঁকে অনুসরণ করা তাঁর মোটেই পছন্দ হচ্ছে না।
ঘটনার পর বাড়ি ফিরে সোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট করেন সলমন। তিনি লেখেন, ‘হাসপাতালে আমার যন্ত্রণাকে উপভোগ করতে দেখলাম প্রেসকে। সেই প্রেস, যাদের পাশে আমি দাঁড়িয়েছি, যোগাযোগ রেখেছি, খেয়ালও, যাতে তারা তাদের রুটিরুজি চালাতে পারে।’ পরে আরও একটি পোস্টে তাঁকে লিখতে দেখা যায়, ‘কিন্তু আজ যদি তারা আমার ক্ষতি থেকে উপার্জন করতে চায়, থামিয়ে দেব। মোটেই উপভোগ করব না। ভাই ভাই ভাই, মাতৃভূমির নিকুচি করেছে। ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নাকি জীবন?’ এখানেই থামেননি সলমন। আরও একটি পোস্টে লেখেন, ‘আমি একশোজনকে জ্বালিয়ে দিতে পারি। ভাইয়ের দুঃখ নিয়ে ফের ট্রাই করতে এসো। করেই দেখো না ট্রাই। তোমাদের কোনও প্রিয়জন হাসপাতালে থাকলে আমি কি এমন করতাম?’ সবচেয়ে বেশি চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর সেই পোস্ট ঘিরে, যেখানে তিনি লেখেন, ‘ষাট বছর বয়স হল, কিন্তু লড়তে ভুলিনি। মনে রেখো… জেলে ভরবে নাকি? হা হা…’ অভিনেতার এহেন মন্তব্য ঘিরে নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

তবে এখনও স্পষ্ট নয় কেন হাসপাতালে গিয়েছিলেন সলমন খান। তিনি নিজে বা তাঁর টিমের তরফে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই সোশাল মিডিয়ায় একা বসে থাকা একটি ছবি পোস্ট করে ‘নিঃসঙ্গতা’র ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অভিনেতা। সেই পোস্ট ঘিরেও অনুরাগীদের মধ্যে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। পরে অবশ্য সলমন জানান, পোস্টটি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ইঙ্গিত নয়।
