Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Entertainment

1 month ago

Kala Hiran: ‘কালা হিরণ’ বিতর্কে নয়া মোড়, দিল্লি হাই কোর্টের রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে নির্মাতারা

The Kala Hiran dispute reached the Supreme Court
The Kala Hiran dispute reached the Supreme Court

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘কালা হিরণ’ সিনেমাকে ঘিরে বিতর্ক আরও জটিল আকার নিল। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ছবির প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লি হাই কোর্ট। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’-র পরিচালক ভরত শ্রীনাথ ও প্রযোজক অমিত জানি। ফলে সলমন খানকে ঘিরে তৈরি এই আইনি লড়াই পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। উল্লেখ্য, প্রায় দুই দশক আগে রাজস্থানের কোঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলাকালীন কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ উঠেছিল সলমন খানের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর থেকেই একাধিক আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন বলিউডের ভাইজান। ২০১৮ সালে সংশ্লিষ্ট মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সময়ে বিষ্ণোই গোষ্ঠীর সঙ্গে সলমনের বিরোধের প্রসঙ্গও বারবার সামনে এসেছে। 

সম্প্রতি ওই বিতর্কিত অধ্যায়কেই কেন্দ্র করে ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ ছবির ঘোষণা করেন নির্মাতারা। ছবির প্রচারমূলক টিজার প্রকাশ্যে আসতেই আপত্তি জানান সলমন খান। তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে পরিচালক ও প্রযোজককে আইনি নোটিস পাঠিয়ে ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার পাশাপাশি সমস্ত প্রচারমূলক কনটেন্ট সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত ক্ষমা না চাইলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নির্মাতাদের তরফে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না হওয়ায় দিল্লি হাই কোর্টে মামলা করেন সলমন খান। শুনানি শেষে তাঁর পক্ষে রায় দেয় উচ্চ আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ‘কালা হিরণ’-এর প্রচারঝলক সরিয়ে ফেলতে বলা হয়। সেই রায়েই আপাতত থমকে যায় ছবির প্রচার।


শুনানির সময় নির্মাতাদের উদ্দেশে কড়া মন্তব্যও করেছিলেন দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি জ্যোতি সিং। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, বিচারাধীন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এভাবে ছবি তৈরি ও প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি আদালতে ছবির টিজার দেখেও বিষয়বস্তু নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়।  বিচারপতির বক্তব্য ছিল, কোনও ব্যক্তির সুনাম তৈরি করতে দীর্ঘ সময় লাগে। একবার সেই ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাবও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি বিচারাধীন বিষয়কে কেন্দ্র করে তৈরি কনটেন্ট আদালতের মর্যাদা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

তবে দিল্লি হাই কোর্টের সেই সিদ্ধান্তেই থেমে থাকতে রাজি নন ‘কালা হিরণ’-এর নির্মাতারা। উচ্চ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন পরিচালক ভরত শ্রীনাথ ও প্রযোজক অমিত জানি। ফলে ছবির প্রচার, মুক্তি এবং বিচারাধীন মামলাকে কেন্দ্র করে নির্মাণের বৈধতা নিয়ে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হল। এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর সিনেমা মহলের। 

You might also like!